১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বেতন ও নিরাপত্তা নিয়ে কোচ জেরার্ডের ফেসবুক পোস্ট, বিব্রত বাফুফে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী মোদি: দীনেশ ত্রিবেদী ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তনের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের চট্টগ্রামে দুই বছরেও উদ্ধার হয়নি লুট হওয়া ১৪৫ আগ্নেয়াস্ত্র চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়, পাশের হার ৪৯.৪৮, কেউ পাশ করেনি ৮ বিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০ বছর পর আবারও সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে জার্মানি ও জাপান চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার কমে ৫৯.৪৮% হংকংয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড: টাইফুন ডলফিনের প্রভাবে তীব্র দাবদাহ ফ্যাসিবাদ ও খুনের রাজনীতি আর চলবে না: গাইবান্ধায় জামায়াত আমির মেসির অবসরের সিদ্ধান্ত একান্তই তার ব্যক্তিগত: আর্জেন্টিনা ফুটবল প্রধান
আন্তর্জাতিক:
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তনের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০ বছর পর আবারও সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে জার্মানি ও জাপান হংকংয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড: টাইফুন ডলফিনের প্রভাবে তীব্র দাবদাহ ডিম্বাণু সংরক্ষণের ঘোষণা দিলেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ওকাসিও, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার সম্ভাবনা নাকচ করেননি কাতার-ওমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর: কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন উচ্চতা ভারতে মুসলিমদের ওপর ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষ ও সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগজনক প্রতিবেদন প্রেক্ষাপট: দিল্লির ছায়া পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন মানচিত্র চীনের উপকূলে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিনের আঘাত: রেড অ্যালার্ট জারি, হাজারো ফ্লাইট বাতিল ইরানের সঙ্গে আংশিক দর-কষাকষি চলছে, জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পারমাণবিক নিরাপত্তা ও বিকিরণ প্রতিরোধে কাতার-সৌদি আরবের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক
     
             

প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০ বছর পর আবারও সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে জার্মানি ও জাপান

  

১৯৪০ সালে জার্মানি ও জাপানের সাম্রাজ্যবাদী শাসনব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক বিরোধিতার ভিত্তিতে ‘অক্ষশক্তি’ নামে পরিচিত জোটে যোগ দিয়েছিল। তারা একটি বিশ্বযুদ্ধে লড়ে এবং পরাজিত হয়। এরপর পরবর্তী ৮৫ বছর দুই দেশের জনগণ অপেক্ষাকৃত ছোট সামরিক বাহিনী এবং নিরাপত্তার জন্য তাদের সাবেক শত্রু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ব্যাপক নির্ভরতার মধ্য দিয়ে কাটিয়েছে। যুদ্ধ-পরবর্তী জাপান মার্কিন চাপিয়ে দেয়া একটি সংবিধান গ্রহণ করে, যা জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থারের তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বার্লিন প্রাচীর পতন এবং শীতল যুদ্ধের অবসানের পর পুনরেকত্রীকরণ হওয়া জার্মানি প্রতিরক্ষার তুলনায় সামাজিক কর্মসূচিতে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে শুরু করে।

ফ্রান্সের এভিয়ানে চলতি সপ্তাহে জি-৭ দেশগুলোর নেতাদের বৈঠকে তাদের সহযোগিতা আরও গতি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দুই দেশ নিজেদের পুনঃসামরিকীকরণের প্রচেষ্টার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মতো অস্ত্র, প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান বিনিময় করছে। এটি কোনোভাবেই অক্ষশক্তির পুনরাবৃত্তি নয়। এবার জাপান ও জার্মানি প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে কাজ করছে। তারা একই মতাদর্শের অন্যান্য ‘মধ্যম শক্তি’র সঙ্গেও জোট বাঁধছে। এর মধ্যে রয়েছে জি-৭-এর সদস্য বৃটেন, কানাডা ও ফ্রান্স- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যারা ছিল তাদের শত্রু। এখন তারা নিজেদের আন্তর্জাতিক আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর রক্ষক হিসেবে তুলে ধরছে।

মার্চে জাপানের একটি নৌঘাঁটিতে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বোরিস পিস্তোরিয়ুস বলেন, জার্মানি ও জাপানের মতো দেশগুলো, যারা এখনো নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা সমর্থন করে, তাদের ‘আরও ঘনিষ্ঠভাবে একত্র হওয়া এবং আমরা কীসের পক্ষে দাঁড়াই, তা স্পষ্ট করা’ প্রয়োজন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বেরিয়ে এসে জার্মানি ও জাপান তাদের বিধ্বস্ত শহর পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেয়। নিজেদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বড় একটি দায়িত্ব তারা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্র দেশের ওপর ছেড়ে দিয়েছিল। জার্মানি দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে শীতল যুদ্ধের সময় পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল।

কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই মনোভাব দুর্বল হয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর এবং চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের অধীনে দেশটির ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী সামরিক ও অর্থনৈতিক নীতির কারণে পরিস্থিতি বদলেছে। একই সঙ্গে উত্থানশীল বিশ্বশক্তি চীন এবং আগ্রাসী রাশিয়াকে ঘিরে উদ্বেগও বেড়েছে। ইউরোপে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি এবং শি জিনপিংয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষা বার্লিন ও টোকিওকে নতুন করে ভাবাচ্ছে। জাপান ও জার্মানির যুদ্ধ-পরবর্তী ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা বোস্টন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক থমাস বার্জার বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে দুই দেশ ‘সম্ভবত বিশ শতকের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের’ জন্য দায়ী ছিল। বার্জার আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হয়তো তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে- এমন একটি ন্যায্য ভয় তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে।’

এক বছর আগে ক্ষমতায় আসার কিছুদিন আগে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্ৎস জার্মান সরকারের ঋণ নেয়ার ওপর থাকা সীমা শিথিল করার একটি সফল উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন। এর ফলে সামরিক ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। কয়েক বছরের মধ্যে জার্মানির সামরিক ব্যয় ফ্রান্স ও বৃটেনের সম্মিলিত সামরিক ব্যয়ের চেয়েও বেশি হতে পারে। জাপান জার্মানির প্রায় অর্ধেক অর্থ ব্যয় করলেও তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ৫৮ বিলিয়ন ডলার। রক্ষণশীল রাজনীতিক প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গত বছর সামরিক বাহিনী পুনরুজ্জীবিত করার জাতীয়তাবাদী আহ্বান নিয়ে ক্ষমতায় আসেন। তিনি দক্ষিণ জাপানে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছেন, যেগুলো চীনে পৌঁছাতে সক্ষম। একই সঙ্গে যুদ্ধ-পরবর্তী অস্ত্র রপ্তানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞাও তিনি প্রত্যাহার করেছেন। মের্ৎস ও তাকাইচি দু’জনই ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াচ্ছেন।

সম্প্রতি জাপান অস্ট্রেলিয়াকে যুদ্ধজাহাজ সরবরাহের জন্য ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে। ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়াকে যুদ্ধজাহাজ রপ্তানির বিষয়েও দেশ দুটি আলোচনা করছে। অন্যদিকে জার্মানি ইউক্রেনের সঙ্গে নতুন অস্ত্র তৈরি ও মোতায়েনে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তুলেছে। পাশাপাশি নিজস্ব পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তুলতে ফ্রান্সের সহায়তাও চেয়েছে। চীন ও রাশিয়া তাকাইচির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার সামরিকতাবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করার অভিযোগ করেছে। ৩৭ বছর বয়সী নাহোকো হিশিয়ামা কয়েকটি বিক্ষোভ সংগঠনে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, তাকাইচির নীতিগুলো গভীরভাবে উদ্বেগজনক, কারণ এগুলোর লক্ষ্য জাপানকে একটি সামরিক শক্তিতে পরিণত করা। তিনি বলেন, সামরিক শক্তি বাড়াতে হলে জার্মানি ও জাপানকে নিজেদের মানসিকতায় আরও পরিবর্তন আনতে হবে, বিশেষ করে যদি সরকার বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের মতো নীতি গ্রহণ করে।

জার্মান জনগণ অনিচ্ছার সঙ্গে হলেও জাপানিদের তুলনায় দ্রুত সামরিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দেখা গেছে, অধিকাংশ জার্মান নাগরিক মনে করেন, বর্তমান বিশ্ব শীতল যুদ্ধের সময়ের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। জরিপে আরও দেখা গেছে, দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ সামরিক বাহিনীতে বাজেট বাড়ানোর পক্ষে। জার্মানি ও জাপানের এই সামরিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগকে যে একটি দেশ স্বাগত জানিয়েছে, সেটি হলো যুক্তরাষ্ট্র। গত বছর মের্ৎসের সঙ্গে বৈঠকের সময় মার্কিন নেতৃত্ব জার্মানির সামরিক ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তবে এই নতুন সামরিকীকরণের পথে দুই দেশের সমাজ ও রাজনীতিতে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা আগামী দিনে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে আমরা যে পথে এগিয়ে এসেছি, সেটি ধরে রাখার প্রতিশ্রুতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।’

বিক্ষোভকারীদের আশঙ্কা, তাকাইচি এরপর সংবিধানের ৯ নম্বর অনুচ্ছেদ বাতিলের উদ্যোগ নিতে পারেন।

তিনি বলেন, সামরিক বাহিনী ও সমাজকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ভাবতে হবে তাদের।

এখন যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে দুই দেশের পুরোনো সতর্কতা আবারও ফিরে এসেছে।

অন্যদিকে টোকিও চীন ও উত্তর কোরিয়ার হুমকি নিয়ে উদ্বিগ্ন।

পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির সরকার দুটিই বড় সেনাবাহিনী বজায় রেখেছিল।

ওই সংবিধানে জাপানকে যুদ্ধ পরিত্যাগ করতে বাধ্য করা হয় এবং আত্মরক্ষার প্রয়োজন ছাড়া সশস্ত্র বাহিনী রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

এর ফলেই ‘সেল্ফ-ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা আত্মরক্ষা বাহিনী গঠিত হয়, যা এখনো দেশটির সামরিক বাহিনীর সরকারি নাম।

যুদ্ধের পরবর্তী কয়েক দশকে দুই দেশেই সামরিকতাবাদবিরোধী আন্দোলন জনপ্রিয়তা পায়।

এসব আন্দোলন শান্তি, কূটনীতি, মুক্ত বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের আদর্শকে সামনে তুলে ধরে।

তাদের পরাজয় ‘সাম্রাজ্য ও সামরিকীকরণ নিয়ে তাদের আদর্শ ও বিশ্বাসকে চূর্ণ করে দিয়েছিল।’ কিন্তু বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির সাম্প্রতিক পরিবর্তন, বিশেষ করে ডনাল্ড ট্রাম্পের অস্থির নীতি, দেশ দুটির তুলনামূলকভাবে নতুন দুই রক্ষণশীল ও প্রতিরক্ষামুখী নেতার মধ্যে উদ্বেগ ও তাড়াহুড়ো তৈরি করেছে।

তারপরও দেশটি বিশ্বের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা ব্যয়কারী রাষ্ট্র।

তবে একই সঙ্গে তারা সামরিক জোটের ক্ষেত্রে ক্রমশ ওয়াশিংটনের বাইরেও বিকল্প খুঁজছেন।

যদিও বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ ব্যবস্থা না থাকা জার্মান সশস্ত্র বাহিনী তরুণদের সেনাবাহিনীতে যোগদানে উৎসাহিত করতে হিমশিম খাচ্ছে।

অস্ত্র রপ্তানি বাড়ানো এবং একটি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তও ছিল তাদের আপত্তির কারণ।

ওই অনুচ্ছেদে যুদ্ধ পরিত্যাগের কথা বলা হয়েছে।

বার্লিনে জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সের গবেষক আলেকজান্দ্রা সাকাকি জাপান নিয়ে গবেষণা করেন।

তবে কিছুটা সতর্কতাও ছিল তার বক্তব্যে।

রসিকতা করে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, পুনরায় সামরিক শক্তিশালী হয়ে ওঠা জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানিকে পরাজিত করা মার্কিন নেতাদের হয়তো খুব একটা খুশি করবে না।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তনের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
হংকংয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড: টাইফুন ডলফিনের প্রভাবে তীব্র দাবদাহ
ডিম্বাণু সংরক্ষণের ঘোষণা দিলেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ওকাসিও, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার সম্ভাবনা নাকচ করেননি
কাতার-ওমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর: কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন উচ্চতা
ভারতে মুসলিমদের ওপর ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষ ও সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগজনক প্রতিবেদন
প্রেক্ষাপট: দিল্লির ছায়া পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন মানচিত্র
চীনের উপকূলে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিনের আঘাত: রেড অ্যালার্ট জারি, হাজারো ফ্লাইট বাতিল
ইরানের সঙ্গে আংশিক দর-কষাকষি চলছে, জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

You cannot copy content of this page