প্রেস বিজ্ঞপ্তি >>> এই পৃথিবীর ইতিহাস যত পুরনো, মালিক-শ্রমিক কিংবা শাসক ও শোষিতের দ্বন্দ্ব সংঘাতের ইতিহাসও ততটাই পুরানো। যুগে যুগে একাধিক সংগ্রামের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার। তবে অধিকার আদায়ের এই সংগ্রাম চলমান। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে যেমন বিভিন্ন অজুহাতে শ্রমিকদের উপর বঞ্চনার ইতিহাস দীর্ঘ হচ্ছে তেমনি, অধিকার আদায়ের সংগ্রামও চলছে নিরন্তর।
আর এই সংগ্রামকে বেগবান করতে যারা জীবন বাজী রেখে লড়াই করছেন, শ্রমিক নেতা ছবেদ আহমদ তাদের একজন। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে শ্রমিকদের অধিকার আদায় ও কল্যাণে নিবেদিত থেকে কাজ করছেন তিনি। তার সততা, নিষ্ঠা ও শ্রমিকবান্ধব ভূমিকার জন্য তিনি সর্বমহলে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।
ছবেদ আহমদ কর্মজীবনের শুরুতে ঐতিহ্যবাহী সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজিঁ ২১৫৯) অন্তর্ভুক্ত গোয়াইনঘাট উত্তর-পূর্ব জাফলং আঞ্চলিক উপকমিটির দুই দুইবারের সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজিঃ ২১৫৯) অন্তর্ভুক্ত গোয়াইনঘাট উত্তর-পূর্ব জাফলং আঞ্চলিক উপকমিটির সভাপতির গুরু দায়িত্ব পালন করছেন অত্যন্ত সফলতার সাথে।
তার নেতৃত্বে শ্রমিকরা বহুবার বহু ক্ষেত্রে অধিাকার আদায়ের আন্দোলনে সফল হয়েছেন। তিনি সবসময় শ্রমিকদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং তাদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। অবহেলিত ও নির্যাতিত শ্রমিকরাও ন্যায্য অধিকার আদায়ে তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।
শুধু অধিকার আদায়ের আন্দোলনেই নয়, ছবেদ আহমদ ব্যক্তি হিসাবেও একজন অসাধারণ মানুষ। তিনি সারাটা জীবন শ্রমিকদের সেবা এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন। শ্রমিক সন্তানদের লেখাপড়া ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন, আর্থিক উন্নয়নে যখন যেখানে যা কিছু করা প্রয়োজন ছবিদ আহমদকে তারা পাশে পেয়েছেন নির্ভরতা প্রতীক হিসাবে। এমনকি অসুখে বিসুখে বিপদ-আপদেও তিনি তাদের সেবায় নিজেকে উজাড়া করে দিয়েছেন।
আর এসব কাজ করতে গিয়ে নিজের জীবন বারবার ঝুঁকিতে পড়লেও ছবেদ আহমদ কোনোদিন পিছপা হননি। কঠোর সংগ্রাম ও অধ্যবসায়ী ছবেদ আহমদ জীবনের বাকী সময়টাও মানব এবং শ্রমিকদের সেবা ও কল্যাণে কাটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।


মন্তব্য