১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যার্তদের পাশে ডা. হামিদা ইয়াসমিন জেসি। কোম্পানীগঞ্জে দিনব্যাপী মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান, ৩ জনের কারাদণ্ড। আমরা শাসক হতে আসেনি সেবক হতে এসেছি- মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী – আযম খান। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুুিুষ্ঠত “সাতকানিয়া-বাঁশখালীতে ভয়াবহ পরিস্থিতি” বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯ : চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায়১০ লাখ মানুষ,  চট্টগ্রামে বন্যায় মৎস্য ও কৃষিখাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা ত্রানের প্রত্যাশা হাহাক ভুক্তভোগীরার, বন্যা পরিস্থিতির চরমে, বিদ্যুৎ ও সড়ক বন্ধ , চট্টগ্রামে ২২ মামলার আসামি ছিনতাই চক্রের মূলহোতা ‘বাদশা’ গ্রেপ্তার ভয়াবহ দুর্যোগেও হাটহাজারীতে গুলি ও কুপিয়ে একজনকে হত্যা, গ্রেফতার-১ ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন উত্তরণ নাট্যগোষ্ঠীর নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

ফুলে ফুলে ভরে গেছে তানোরে সজিনাগাছ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি >>> সাদা সাদা গুচ্ছ ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ।ডালের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফুল আর ফুল। এ সময় সজিনা গাছের পাতা ঝরে পড়তে শুরু করে। তাই পাতা শুন্য ডালে থোকা থোকা সাদা ফুলের শোভা দেখে সকলে বিমোহিত হয়। বাংলাদেশের অতি পরিচিত এক সবজি সজিনা বা সজনে পাতা। মূলত বিভিন্ন ধরনের খাবারের আনুষাঙ্গিক উপকরণ হিসেবে আমাদের দেশে এর ব্যবহার দেখা যায়। তবে এই সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান। এমনকি বৈশ্বিকভাবেই সজিনা ‘সুপার ফুড’ হিসেবে পরি-চিত। সজিনার পাতা, শিকড় এবং অপরিণত শুঁটি সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। এছাড়া এই গাছের বাকল, শুঁটি, পাতা, বাদাম, বীজ, কন্দ, শিকড় এবং ফুলসহ গোটা অংশই খাওয়া যায়। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার রাস্তার ধারে ও পতিত জমিতে হাজার হাজার সজিনা গাছ রয়েছে। এমকি প্রায় প্রতি বাড়ীতে দু’একটি করে সজিনা গাছ রয়েছে। এসব গাছ বাড়ীর পাশে, রাস্তার ধারে ও জমির আইলে লাগানো। যত্ন ছাড়াই এসব গাছ বেড়ে উঠেছে। গাছে ফলনও বেশী হয়। প্রতি বছর সজিনার শাখা বা ডাল রোপন করা হয়। তবে রোপনকৃত ডালের প্রায় ৩০ শতাংশ মারা যায়।জানা গেছে, দেশে ২টি জাত আছে, একটি হালো সজিনা ও আর একটি নজিনা। সজিনার ফুল আসে জানুয়ারীতে আর নজিনা ফুল আসে মার্চ মাস থেকে। তবে সব ফুল থেকে ফল হয় না। একটি থোকায় সর্বাধিক ১৫০টি মত ফুল ধরে। ফুল ৪০ সেন্টিমিটার থেকে ৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল ফুটার ২ মাস পর ফল তোলা যায়।একটি বড় গাছে ৪শ’ থেকে ৫শ’ ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩০ থেকে ৪০ টি বীজ হয়। দেশে সাধারণ ডাল কেটে ডাল রোপন করে সজিনা গাছ লাগানো হয়। ভারত থেকে হাইব্রিড সজিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপন করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দু’বার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারী-মার্চ ও জুন-জুলাই মাস।কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর উপজেলায় বারোমাসি সজিনার ডাল বিতরণ ও রোপন করা হয়। এর মধ্যে এসব ডাল থেকে গাছ হয়েছে। সজিনার মৌসুম শেষে এ বছরও ডাল রোপন করা হবে। এ উপজেলার লবণামুক্ত মাটিতে সজিনা আবাদ ভাল হচ্ছে। উপজেলার প্রায় প্রতি বাড়ীতে কমবেশি সজিনা গাছ আছে। বসতবাড়ীর আশে পাশে রাস্তার ধারে জমির আইলে লাগানো সজিনা গাছ যত্ন ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা চাষিরা উচ্চ মূল্য পাওয়ায় সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহিত হচ্ছে।এ বিষয়ে উপজেলা কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, ঠান্ডা-গরম, লবণ, খরা সহিষ্ণু এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়। এ বছর সজিনা গাছে ব্যাপক ফুল ধরেছে। বড় ধরণের দূর্যোগ না হলে সজিনার বাম্পার ফলন আশা করা যায়।সজিনা পুষ্টি ও ভেজষ গুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী। সজিনার ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মূল্যে বিক্রি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা এখন পতিত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সজিনা গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃ যকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনাখেত গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যার্তদের পাশে ডা. হামিদা ইয়াসমিন জেসি।
কোম্পানীগঞ্জে দিনব্যাপী মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান, ৩ জনের কারাদণ্ড।
আমরা শাসক হতে আসেনি সেবক হতে এসেছি- মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী – আযম খান।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুুিুষ্ঠত
“সাতকানিয়া-বাঁশখালীতে ভয়াবহ পরিস্থিতি” বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯ : চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায়১০ লাখ মানুষ, 
চট্টগ্রামে বন্যায় মৎস্য ও কৃষিখাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা
ত্রানের প্রত্যাশা হাহাক ভুক্তভোগীরার, বন্যা পরিস্থিতির চরমে, বিদ্যুৎ ও সড়ক বন্ধ ,
চট্টগ্রামে ২২ মামলার আসামি ছিনতাই চক্রের মূলহোতা ‘বাদশা’ গ্রেপ্তার

You cannot copy content of this page