১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
৮ লাখ শিশুর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ: ২০ হাজার শিক্ষকের আকুল আবেদন সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ফ্রি রেশন ও ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার দাবি কর বিভাগের প্রধান সহকারী লুৎফর রহমান সাময়িক বরখাস্ত ফরিদপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে হামে মৃত্যু ৩, আক্রান্ত ৭১৬ বোয়ালখালীতে আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, তিন পুলিশ সহ আহত- ৫ বাঁশখালীতে খামারির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে এসআই ক্লোজড ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক দিলেই চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ফ্রি প্রবেশ লংমার্চ ও লালদিঘী সমাবেশ ঘিরে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে চট্টগ্রাম জামায়াতের মতবিনিময় সুনামগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি ৫৮ লাখ ১৯ হাজার টাকার ২৬৮৩ পিস অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ
আন্তর্জাতিক:
জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত শিল্পী শিমলা নেপালে হিমবাহ ধসে বন্যা: নিহত ৩১, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সেবায় অটল ইউএনআরডব্লিউএ, কার্যক্রম বন্ধের দাবি প্রত্যাখ্যান বদলাচ্ছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলের চিত্র: দুবাইয়ের ট্রানজিট প্রবণতা ও নতুন ডিজিটাল নিয়ম নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: ১৫৭ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ চার শতাধিক জাতিসংঘের ভোকেশনাল কেন্দ্রে ইসরাইলি বাহিনীর তল্লাশি, অগ্নিনির্বাপণে বাধা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত: ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ ইসলামাবাদের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণে ১৫ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত: শুরু হয়েছে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ
     
             

আলুর গাছে পচন রোগে দিশেহারা তানোরের চাষিরা

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি >>> রাজশাহীর তানোরে হঠাৎ করে আলুর গাছে পচন রোগ দেখা দেওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে আলু চাষিরা। পচন রোগ রোধে মাঠে পাচ্ছেন না কৃষি অফিসের কোন লোকজনকে। ফলে বাধ্য হয়ে পচন রোগ দূর করতে বালাইনাশক দোকানীর পরামর্শে একের পর এক কীটনাশক ব্যবহার করেও দূর করতে পারছেন না পচন রোগ। এতে করে চরম হতাশ হয়ে পড়েছে তানোরের আলু চাষিরা। পচন রোগ রোধ করা না গেলে চরমভাবে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা চাষিদের মধ্যে।উপজেলার কামারগাঁ, সিধাইড়, যশপুর, নারায়নপুর মাঠে ও তানোর পৌর এলাকার সেন্দুকাই বিস্তীর্ণ আলু খেতে দেখা দিয়েছে এ পচন রোগের ছড়াছড়ি। এছাড়াও যোগীশো মাঠেও প্রচুর পরিমানে ছড়িয়ে পড়েছে পচন রোগের মহামারী। কামারগাঁ ইউনিয়নের শরিফ উদ্দিনের ৭বিঘা, গৌউরের ৩বিঘা, শাহাদাতের ২৮কাঠা জমিতে পচন রোগ ধরেছে। কিন্তু তারা মাঠ পর্যায়ে কোন কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ পাচ্ছেন না।তারা বলেন, তাদের মাঠে প্রায় দুইশ’ বিঘা জমির আলুগাছে পচন রোগ দেখা দিয়েছে। রোগে আলুগাছ মরে যাচ্ছে। এতে ফলনহানির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি। অথচ কৃষি বিভাগ নির্বিকার রয়েছে। কৃষকদের সচেতন করতে তাদের দৃশ্যমান তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। আবার অনুমান নির্ভর হয়ে কৃষকরা বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও গাছ রক্ষা করতে পারছে না।সরেজমিনে উপজেলার কামারগাঁ ইউপি’র মাঠে আলুখেতে দেখা গেছে, অধিকাংশ আলুর গাছে পচন রোগে আক্রান্ত হয়ে আলুগাছ পচে (মরে) যাচ্ছে। কৃষকরা অনুমান নির্ভর হয়ে উচ্চ দামে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করে আলুগাছ রক্ষা করতে পারছেন না। যার কারণে চাষীদের পকেট হচ্ছে খালি, অপর দিকে পকেট ভরছে দোকানীদের।কামারগাঁ মাঠের আলু চাষি শরিফ উদ্দিন বলেন, এবার তিনি ৭ বিঘা জমিতে আলুচাষ করেছেন। পচন রোগে ইতিমধ্যে তার আলুখেতের সিংহভাগ গাছ পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।একই মাঠের কৃষক আতাউর বলেন, পচন রোগে আক্রান্ত তার আলুখেতে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেছেন, কিন্তু তাতে কোনো কাজ হচ্ছে না।তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের (উপসহকারী কর্মকর্তা) মাঠকর্মীদের কোন নাগাল পাচ্ছেন না কৃষকরা। ফলে তারা বাধ্য হয়ে অনুমান নির্ভর কীটনাশক ব্যবহার করছেন। এতে কীটনাশক ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও কপাল পুড়ছে কৃষকের।চলতি মৌসুমে যে সকল চাষীরা জমি ইজারা নিয়ে আলুচাষ করেছেন তাদের প্রতি বিঘায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার টাকা ও নিজস্ব জমিতে প্রতি বিঘায় প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এবারে আলুর লক্ষমাত্রা ছিল ১৩ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে। কিন্তু চাষ হয়েছে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২৮ হাজার ৩২০ মে:টন।এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, তার জানা মতে কোথাও আলুগাছে পচন রোগ ধরেনি, আলুর গাছ ভালো অবস্থায় আছে, আলুগাছে পচন রোগ দেখা দিলে কৃষকরা যদি তাদের কাছে পরামর্শ নিতে না আসে তাহলে তো তাদের করণীয় কিছু নাই।তিনি বলেন, তার জানা মতে এখনো তানোরের কোথাও আলুগাছে পচন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কোনো খবর তার কাছে নাই।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page