৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে চন্দনাইশ বিএনপিতে বিভক্তির আভাস রুহিয়া উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ইউএনও’র সঙ্গে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাক্ষাৎ সখিপুরে ২৫ বছরের সংসারে নির্যাতনের অভিযোগ বিচার চান অসহায় গৃহবধূ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি,শিশু অধিকার দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে শিশু কিশোররা উপভোগ করেন রাবি ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার, ৬ জনকে শোকজ চকরিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি সহ বিভিন্ন অভিযোগে ৬ প্রতিষ্টান কে জরিমানা জগন্নাথপুরে প্রয়াত নুর মিয়া চৌধুরীর সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে জটিলতা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রতিবাদে তক্তারচালা বাজারে মানববন্ধন
আন্তর্জাতিক:
নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত শিল্পী শিমলা নেপালে হিমবাহ ধসে বন্যা: নিহত ৩১, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সেবায় অটল ইউএনআরডব্লিউএ, কার্যক্রম বন্ধের দাবি প্রত্যাখ্যান বদলাচ্ছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলের চিত্র: দুবাইয়ের ট্রানজিট প্রবণতা ও নতুন ডিজিটাল নিয়ম
     
             

অনার্স-মাস্টার্সে তৃতীয়, ঢাবি শিবির সভাপতি কে এই সাদিক?

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করেই সামনে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েম। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যমত সমন্বয়কও ছিলেন। হঠাৎ করে প্রকাশ্যে আসা কে এই সাদিক কয়েম সেটি জানার চেষ্টা করছেন নেটিজেনরা।

জানা গেছে, সাদিক কায়েম ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি খাগড়াছড়ি শহরের বাজার এলাকায়। মেধাবী এই তরুণ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ফলাফলে নিজ বিভাগের মধ্যে তৃতীয় হয়েছিলেন। স্নাতকে তার সিজিপিএ ছিল ৩ দশমিক ৭৮। তবে স্নাতকোত্তরে সাদিক কায়েমের সিজিপিএ কত ছিল সেটি জানা সম্ভব হয়নি।

ছোটবেলা থেকেই মেধাবী সাদিক খাগড়াছড়ি বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া আদর্শ মাদ্রাসা থেকে দাখিল এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রামের বায়তুশ শরফ থেকে আলিম পাশ করেন। এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এদিকে হঠাৎ করে সাদিক কায়েমের এভাবে প্রকাশ্যে আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা ভাসছেন সাদিক কায়েম। নাজমুল হাসান রাসেল নামে একজন লিখেছেন, ‘‘ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে যে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হচ্ছে, তা আমাদের ভবিষ্যৎ ছাত্ররাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চব্বিশের শহীদদের স্বপ্নের বাস্তবায়নে আমরা নতুন ছাত্ররাজনীতির জন্য একতাবদ্ধ হতে চাই। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মতপার্থক্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা সকলেই এই পথে এগিয়ে যেতে পারি।’’

আলমগীর হোসেন লিখেছেন, ‘‘আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন আমাদের জন্য সবকিছুকে যেন আরো সহজ করে দিন। আমার মনে হয়, এই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের কোন সভাপতি সংগঠনের পদবি ব্যবহার করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। আবারো আলহামদুলিল্লাহ।’’

এর আগে শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য লাউঞ্জে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সাদিক কায়েম নিজেকে ছাত্র শিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি বলে পরিচয় দেন। পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্টও দেন তিনি।

ফেসবুকের ওই পোস্টে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শোষণ শুধু ছাত্ররাজনীতি নয়, রাজনীতির সংজ্ঞাই পালটে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদে কোন রাজনীতি থাকে না। বিরাজনীতি ফ্যাসিবাদের ভাষা। ফ্যাসিবাদ ছাড়া সকল বাদ, ইজম ও রাজনীতি ফ্যাসিবাদে অনুপস্থিত থাকে। ফ্যাসিবাদে কোন রাজনীতি নাই, শুধু ফ্যাসিবাদই আছে। টেন্ডারবাজি, গুম, খুন, ক্রসফায়ার, ফাঁসি, ধর্ষণ, রাহাজানি, দুর্নীতি এসব রাজনীতি না। এগুলি ফ্যাসিবাদ।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের গত ষোল বছরের ভয়ংকর দিনগুলো কিংবা তারও পূর্বের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো রাজনীতির প্রতি তীব্র ঘৃণা সৃষ্টি করেছিলো তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। কিন্তু চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সমস্ত ভুল ভেঙে দিয়েছে। রাজনীতি সম্পর্কে তৈরি হয়েছে নতুন সচেতনতা। দেয়ালে দেয়ালে লেখা হচ্ছে, “এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’’।

আমরা জানি এই স্বাধীনতার জন্য শহীদ হয়েছে রাজনৈতিক দল সংশ্লিষ্ট এবং দলের আওতামুক্ত রাজনীতি সচেতন ছাত্র-জনতা। ফ্যাসিবাদের পতন ঘটানোর চেয়ে বড় রাজনীতি আর কোন রাজনীতিই না। আমরা চাই সেই রাজনীতির আদর্শে ছাত্ররাজনীতির ব্যাপক ইতিবাচক সংস্কার হবে। ভবিষ্যতের ছাত্ররাজনীতিতে মত-দ্বিমত হবে, যুক্তির পাথরে সবাই বিক্ষিপ্ত হবে, কিন্তু কোন হকিস্টিক কিংবা স্ট্যাম্প থাকবে না। কোনো গেস্টরুম, গণরুম থাকবে না। চব্বিশের আকাঙ্ক্ষাকে বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে এই ছাত্ররাজনীতি। মধুতে ভিন্নমতের কেউ চা খেলে অপর পক্ষের কেউ তেড়ে আসবে না। একাডেমিক পরিবেশে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে ছাত্রসংসদ ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি।

গণতান্ত্রিক দেশে ভিন্নমতের প্রতি থাকবে সম্মান কিন্তু কেউ যেন স্বৈরাচারী না হয়ে উঠতে পারে সে ব্যাপারে রাখতে হবে সজাগ ও পূর্ণ দৃষ্টি। এই রাজনৈতিক সংস্কারে অবশ্যই চব্বিশের শহীদদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন থাকতে হবে, তা না হলে ভেস্তে যাবে আমাদের এই স্বাধীনতা। আমরা চাই ছাত্ররাজনীতির সংস্কার গবেষণা, পলিসি ডায়ালগের মধ্য দিয়ে তা বাস্তবায়িত হোক। এ লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে চন্দনাইশ বিএনপিতে বিভক্তির আভাস
রুহিয়া উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ইউএনও’র সঙ্গে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাক্ষাৎ
সখিপুরে ২৫ বছরের সংসারে নির্যাতনের অভিযোগ বিচার চান অসহায় গৃহবধূ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি,শিশু অধিকার দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে শিশু কিশোররা উপভোগ করেন
রাবি ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার, ৬ জনকে শোকজ
চকরিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি সহ বিভিন্ন অভিযোগে ৬ প্রতিষ্টান কে জরিমানা

You cannot copy content of this page