২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বন্যার পর চট্টগ্রামে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, প্রতিরোধে জোর দিচ্ছে চসিক ও জেলা প্রশাসন কিশোরগঞ্জে বাল্যবিবাহরোধ ও মোবাইল আসক্তির উপর শিশুনেতৃত্বাধিন প্রচার অভিযান  শিবপুরে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন কক্সবাজার জেলার আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বারোপ মহেশখালী থানা পুলিশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুত স্থানে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন বেসরকারি উদ্যোগ সরকারের কাজকে শক্তিশালী করেছে এমপি শাহজাহান চৌধুরী পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে কারিতাসের ত্রাণ বিতরণ। চকরিয়ায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এ সংরক্ষিত সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানা রুমার মতবিনিময়
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

শিশুদের মোবাইল নয় বাদ্যযন্ত্র দিন

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ কাজী আব্দুল্লা হিল আল কাফী

মোবাইল একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা যন্ত্র।যা বেশ উপকার করে আবার অপকারও করে।বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন সবার ঘরে ঘরে পাওয়া যায়।মোবাইল ফোন ভালো কাজের চেয়ে খারাপ কাজে বেশি ব্যবহার হয়।কারণ,শিশু সহ যুবক যুবতীরা মোবাইল ফোন খারাপ কাজে ব্যবহার করে।মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে পড়ে।
বর্তমান সময়ে প্রায় ৯৯ % মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে।শিশু জন্মের পর একটু হাটা চলা শিখলে কোনো কারণবশত কান্না করলে মোবাইল ফোন হাতে দিয়ে বাবা মা বলে গেমস খেলো,কার্টুন দেখো।আবার কোনো সময়ে দেখা যায় বাবা-মা দু’জনে চাকুরী করার ফলে ছেলে মেয়েকে বাসায় কাজের মানুষের কাছে রেখে যায়।এবং সাথে মোবাইল ফোনটাও দিয়ে যায়।কাজের মানুষ তার মতে কাজ করে যায় আর শিশুরা মোবাইল নিয়ে গেমস খেলছে,কার্টুন দেখছে,ধীরে ধীরে মোবাইলের নানান অংশে যাচ্ছে নতুন কিছু শিখছে তবে শেখার তুলনায় খারাপ কাজে বেশি ব্যবহার করছে।বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়েছে প্রায় শতভাগ শিশু কিশোর কিশোরী।প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবকগণ যদি শিশুদের প্রথমে মোবাইল ফোন না দিয়ে বাদ্যযন্ত্র হাতে দেন তাহলে কিছু শিখতে পারবে।প্রথমে বাজাতে না পারলেও একটু একটু করে চেষ্টা করবে।পরবর্তী সময়ে সফলতা লাভ করবে।আর এ সময়ে তো অভিভাবক গণ ভালো ও সঠিক কিছু না দিয়ে সোজাসুজি মোবাইল ফোন হাতে ধরিয়ে দেয়। আর বলে এই মোবাইল ফোন নাও গেমস খেল ছবি দেখ কার্টুন দেখ ইত্যাদি ইত্যাদি।এতে করে ঘরের ভিতরে শিশুরা থাকতে থাকতে ভিন্ন রকম সময় পার করে।চালাক চতুর সাহসী কম হয় শুধু পরে থাকে ভিতরে বাইরে খোলা হাওয়া মুক্তভাবে চলতে পারে না। বরং সারাটাদিন সারাক্ষণ মোবাইল গেমস ভিডিও দেখা ইত্যাদি ইত্যাদি ব্যস্ত থাকে।মোবাইল ফোন সবকিছুতে সুবিধাজনক হলেও এটি শিশুদের মস্তিষ্কের উপর আঘাত হানে।সবকিছুর ধারণক্ষমতা কমিয়ে দেয়।যা একটা হুমকির মুখে ফেলে দেয়।তাই সকল অভিভাবক এর উচিত শিশুদের মোবাইল আসক্ত থেকে দুরে রাখা।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page