আব্দুল্লাহ আল মারুফ চট্টগ্রাম>> বন্দরনগরী চট্টগ্রাম মহানগরের প্রাণকেন্দ্র নগরীর ফয়’স লেক এর পাশে চিড়িয়াখানা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ও তার সহধর্মিনী চট্টগ্রাম লেডিস ওয়েলফেয়ার ক্লাবের সভাপতি তানজিয়া রহমান সরাসরি পরিদর্শন করেছেন৷রবিবার ৩১মার্চ ২০২৪ সকালে চিড়িয়াখানা পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসক বলেন,চিড়িয়াখানার অপজিটে যে ১০ একর জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার জেলা প্রশাসন উদ্ধার করেছেন, সেই জায়গার বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১শ ৫০ কোটি টাকা। আমরা একটি মাস্টারপ্ল্যানের পরামর্শ করতে দিয়েছি।অতি দ্রুত কাজটি বাস্তবায়ন হবে বলে জানান তিনি।তিনি আরো বলেন,স্বল্পমেয়াদে এখানে একটি বার্ডস পার্ক করতে পরিকল্পনা করেছি।চট্টগ্রামে পরিকল্পিত কাজগুলো বাস্তবে রূপ নিলে, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রথম ভূমিকায় থাকবে ইনশাআল্লাহ,তার পাশাপাশি আরও এমিউজমেন্টের জন্য সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়াতে যেসব বার্ডস পার্ক রয়েছে সেগুলোতে জনসাধারণ,দর্শনার্থী ও পর্যটকরা আসে।আমরা এমন পরিকল্পনায় এটিকে তৈরি করতে চাই যাতে শুধুমাত্র বাংলাদেশের নয়,বিদেশি পর্যটকরা যাতে এ বার্ডস দেখতে আসে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই পার্ক বিশেষ ভূমিকা পালন করবে ৷আপনারা জানেন জেলা প্রশাসক,২০১৬ ইং সালে সাউথ আফ্রিকা থেকে দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় নিয়ে এসেছিলাম।সে দুটি বাঘ বৃদ্ধি পেয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বর্তমানে ৩টি শাবকসহ মোট বাঘের সংখ্যা ১৭টি।এছাড়া বিভিন্ন ধরনের পশু-পাখি এই চিড়িয়াখানার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।এ চিড়িয়াখানায় শুধু আমাদের বাংলাদেশের নয়, রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও এক মাস বয়সী তিনটি বাঘশাবকসহ বিভিন্ন পশু-পাখি দেখতে দেশের বাইরে থেকেও বিদেশি পর্যটকেরা আসা ভিড় করতে শুরু করেছেন।তিনি বলেন,চিড়িয়াখানার পার্শ্ববর্তী ১০ একর জমি দীর্ঘদিনযাবৎ অসাধু কিছু লোক অবৈধ দখলদারদের দখলে রেখেছিল যাহা জেলা প্রশাসক উদ্ধার করেছেন।আমরা দেখেছি অনেক সময়ে বিশেষ করে বর্ষাকালে পাহাড় ধসে এখানে প্রাণহানির অনেক ঘটনা ঘটেছে।গতবছরের জুলাই মাস থেকে উচ্ছেদের মাধ্যমে জায়গাগুলো উদ্ধার করে পুরোপুরি সরকারের দখলে নিয়ে এসেছি।চট্টগ্রামের সর্বসাধারণের প্রাণের দাবির কথা চিন্তা করে সেখানে আমরা একটি বার্ডস পার্ক করার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছি।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরাফাত সিদ্দিকী, চিড়িয়াখানার সদস্যসচিব ও এনডিসি হুছাইন মুহাম্মদ, স্টাফ অফিসার টু ডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন, জেলা নাজির মো. জামাল উদ্দিন ও চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা.শাহাদাৎ হোসেন শুভ অংশগ্রহণ করেন।











মন্তব্য