৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
চট্টগ্রাম মেডিকেলে রেইনবো ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন সংকট আরাকান আর্মি! ভারতে অস্ত্র কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ,চরম ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বিপিএলে খুলনাকে হারিয়ে জয়ে ফিরল রাজশাহী বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মিলান ইতালির আয়োজনে ৫৩ তম মহান বিজয় দিবস উদযাপিত দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি ১০ ডিসেম্বর দামেস্কে ঢুকে পড়েছেন বিদ্রোহীরা,পালিয়েছেন আসাদ বাংলাদেশিদের না পাওয়ায় ধস নেমেছে ভারতের পর্যটন ব্যবসায় কলকাতা মিশনে ভারতীয়দের জন্য ভিসা সীমিত করল বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানদো প্রতিযোগিতায় ভিয়েতনামে যাচ্ছে রাজশাহীর মারিন আশরাফী 
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ >> দেশজুড়ে >> ব্যবসা ও বানিজ্য >> রাজশাহী >> শীর্ষ সংবাদ >> সিলেব্রিটি >> সোস্যাল মিডিয়া
  • সিরাজগঞ্জে ৪ লাখ কোরবানির পশু প্রস্তুত, ভারত থেকে গরু না আসলে লাভবানের আশা খামারিদের
  • সিরাজগঞ্জে ৪ লাখ কোরবানির পশু প্রস্তুত, ভারত থেকে গরু না আসলে লাভবানের আশা খামারিদের

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিরাজগঞ্জ থেকে:>>>

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা কে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের প্রতিটি উপজেলায় কোরবানির
    জন্য খামারে ষাঁড়, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা পালন ও প্রাকৃতিক উপায়ে কাঁচা ঘাস, খড়, বিভিন্ন প্রকারের ভুষি, ডালের গুঁড়া, ভাত, খৈল ও কিছু ভিটামিন খাইয়ে মোটাতাজা করছেন গো-খামারিরা।বাড়তি লাভের আশায় খামারের পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে পশুর বাড়তি যত্ন আর লালন পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও গৃহস্থ পরিবার।সিরাজগঞ্জে ৪ লাখ গবাদি পশুর মধ্যে গরুর,সংখ্যা রয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার ১ লক্ষ ৫২ হাজার ছাগল, ১৫শ, মহিষ ও ৬০ হাজার ভেড়াসহ কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।জেলার ১৬ হাজার ছোট বড় খামারি রয়েছে। কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা ১ লক্ষ ৬০ হাজার মিটিয়ে পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন হাটের চাহিদা পুরণ করে থাকে এখানকার গবাদি পশু দিয়ে। এ বছরজেলায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার মোটাতাজা করা পশু ক্রয়-বিক্রয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।এদিকে বেড়েই চলছে গো-খাদ্যের দাম। খামারিদের এখন প্রতিদিন গো-খাদ্যে খরচ বেড়েছে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ। ভারত থেকে গরু আসলে ন্যায্য মূল্যে গরু বিক্রি করতে না পারলে খামারিরা ফলে লোকসান গুনতে হবে অনেক, যার কারনে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।খামারিরা গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি তুলে ধরে বলেন, ৩৭ কেজি ওজনের এক বস্তা গমের ভুষির বর্তমান বাজার মূল্য ২ হাজার ২০০ টাকা, যা গত বছর ছিল ১ হাজার৮০০ টাকা। ৭৪ কেজির এক বস্তা খৈল এখন ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা, গত বছর ছিল ২ হাজার ৮০০ টাকা। ৫০ কেজির ধানের কুঁড়ার দাম ৯০০ টাকা, গত বছর ছিল ৭০০ টাকা। প্রতি কেজি খড় এখন ১৫ টাকা, আগে ছিল ১০ টাকা। এছাড়াখেসারি ও ছোলার ভুষির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। গত কয়েক বছরে ৭ থেকে ৮ দফা গো-খাদ্যের দাম বেড়েছে। খামার শ্রমিকদের দুই বছর আগে বেতন ছিল ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। এখন ১৫ হাজারের নিচে কোনো শ্রমিক কাজ করতে চায় না। পশু পালনে খরচ বেড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ খামার খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। পাশাপাশি ব্যাংক ও এনজিওর ঋণের অতিরিক্ত সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে খামারিরা খুব একটা লাভের মুখ দেখছেন না।জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার জানান, প্রতিটি উপজেলার খামার পরির্দশন করে খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শসহ ওষুধপত্র দিচ্ছি। এবার জেলায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার মোটাতাজা করা পশু ক্রয় বিক্রয় হবে বলে আমরা আশা করছি।তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা জেলার বিভিন্ন ব্যাংকের সাথে কথা বলেছি। প্রতিটি হাটে ব্যাংকের লোক থাকবে। গবাদি পশু ক্রেতা এবং বিক্রেতারা যে কোন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট এবং কিউআর কোড ব্যবহার করে ই-ব্যাংকিং লেনদেন সেবা গ্রহণ করতে পারবে।তিনি আরও বলেন, জেলায় ৩১টি স্থায়ী ও ১৬টি অস্থায়ী পশুর হাটের মাধ্যমে এসব গবাদি পশু বিক্রি করা হবে। এছাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে পশুরছবি আপলোড করে অনলাইনে ও বিক্রি করা হবে বলে তিনি জানান।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page