২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
মা–বোনদের অপমান করা হচ্ছে, আমি তার প্রতিবাদ করি: জামায়াতের আমির সন্তানের ভবিষ্যৎ মনে রেখে ভোট দিন: সাতকানিয়ায় জেলা প্রশাসক আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বন্দর স্কুল মাঠে আমীরে জামায়াতের জনসভা গণজোয়ারে উঠেছে জনতার দলের কলম প্রতীক । চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনরত আরও সাত কর্মচারী বদলি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারাঃ আন্দোলনে বিশেষ মহলের ইন্ধনের আশঙ্কা বন্দর মুখপাত্রের রাজশাহী দামকুড়ায় পলাশ মেম্বার হত্যা সীমান্ত এলাকা থেকে ২ আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব চট্টগ্রামে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান প্রার্থী এজেন্টদের উপস্থিতিতেই পোস্টাল ব্যালট স্ক্যানিং, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশী কোম্পানীকে ইজারাঃ আন্দোলনে অচল বন্দর, মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষনা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> হবিগঞ্জ
  • মাধবপুরে চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিকদের সরাসরি হুমকি
  • মাধবপুরে চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিকদের সরাসরি হুমকি

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    সিলেট ব্যুরো>>> হবিগঞ্জের মাধবপুরে সোনাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদেরকে সরাসরি কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছেন শাজাহানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পারভেজ চৌধুরী ।মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে চৌমুহনি ইউনিয়ন এলাকায় সোনাই নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলনের খবরে উপজেলার ৪ সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে দেখা যায় অফিস ফাঁকি দিয়ে তিনি বালু ব্যবসায় মত্ত।৬ নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (বালি চেয়ারম্যান) পারভেজ চৌধুরীর উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের ছবি তোলার সময় তার লোকদের দা আনার অর্ডার দেন,এবং গাড়ির টায়ারে ফেলে কুপিয়ে কাটার নির্দেশ দেন।তখন তার দলের লোকেরা কেউ কেউ হাসাহাসি করেন । এ সময় তিনি জোর গলায় সাংবাদিকদের বলেন জগদীশপুর থেকে চৌমুহনীর বুড্ডা পর্যন্ত সমস্ত সোনাই নদী এবং এলাকার বালু মহাল ডিসি অফিস থেকে তার ইজারা নেওয়া।জানা যায়,একটি বালু মহাল ইজারার নামে উপজেলার ৬ নং শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মাধবপুর উপজেলার সাবেক বিএনপি’র আহ্বায়ক পারভেজ হোসেন চৌধুরী একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সোনাই নদী থেকে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন।এতে করে ইজারার নামে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে ।এ ব্যাপারে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানান,বর্তমানে সোনাই নদীর কোথাও কোন ইজারা নাই।তবে পুরো বিষয়টা জানতে উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।এ ব্যাপারে উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করা হলে,সহকারী কমিশনার ভূমি রাহাত বিন কুতুব জানান,,এ ব্যাপারে একটি রিট করা আছে,, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে যোগাযোগ করলে পুরো বিষয়টা জানতে পারবেন।উল্লেখ্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ চৌধুরী বিশাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রাতের আধারে সোনাই নদীর বালু অবৈধ ভাবে বিক্রি করে আসছে।এতে করে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে ঠিক তেমনি এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page