২০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ অনুরাগী জাগ্রত যুব সংঘের উদ্যোগে শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে বালু বোঝাই ট্রাকসহ আটক-১ রাজশাহী সীমান্তে বিজিবি কর্তৃক পৃথক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকাসহ ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ আড়াইহাজারে মাদক সেবনের দায়ে দুই তরুণের ৩ মাসের কারাদণ্ড মণ্ডপ পরিদর্শনে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী, উৎসবমুখর বন্দরনগরী। নগরকান্দায় সরকারি খালের জায়গা দখল করে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী অনুমোদন ছাড়াই কেরানীহাটে বাণিজ্য মেলা: অচল মহাসড়ক ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালে ৩৫ লাখ টাকার ওষুধ দিল মা ও শিশু হাসপাতাল সুনামগঞ্জে বিজিবি”র পৃথক দুটি অভিযানে দুইলাখ ৮৯ হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় মাদক জব্দ পটিয়ার এমপির ষাটটি অভিযোগ বক্স।
আন্তর্জাতিক:
অনুমোদন ছাড়াই কেরানীহাটে বাণিজ্য মেলা: অচল মহাসড়ক ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা নারীর নিরাপত্তায় পথ দেখাচ্ছে ‘সেইভ আওয়ার উইমেন’ সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সংবাদ সম্মেলন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তার দাবি এনসিপির নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
     
             

ভূত খাবে না-কি পিঠা

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ কাজী আব্দুল্লা হিল আল কাফী

গ্রামের নাম ঝালপুর। গ্রামটি দেখতে খুবই সুন্দর ছিল। গ্রামে অনেক লোক বসবাস করতেন। গ্রামের রাস্তার
পাশে একটি তেঁতুল গাছ ছিল। সেই তেঁতুল গাছে কয়েকটি ভূত বসবাস করতেন। ঐ রাস্তা দিয়ে সকল পথচারীদের ভয় দেখাতেন তেঁতুল গাছের ভূত। সবাই ভয়ে আতঙ্ক হয়ে থাকতেন।

একদিন পাশের গ্রামের এক বুড়ি ঐ রাস্তা দিয়ে হেঁটে হেঁটে তাঁর মেয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে ভূত দুটি
গাছের আড়ালে বসে বুড়িকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। বুড়ি ছিলেন বেশ চালাক চতুর সাহসী কোনো কিছু সহজে ভয় করেন না। ভূত যতই চেষ্টা করলেন ভয় দেখানোর জন্য ততই যেন বৃথা হয়ে গেল।

কিছুক্ষণ পরে বুড়ির সামনে চলে আসলেন দুটি ভূত। বুড়ি তাতেও ভয় করলেন না। বিভিন্নভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করলেন। শেষ পর্যন্ত ভয় দেখাতে পারলেন না। সেদিনের জন্য বুড়িকে ছেড়ে দিলেন।

সেদিন বুড়ির পিছনে গিয়ে বুড়ির মেয়ের বাড়ি ও বুড়ির বাড়ি দেখে আসলেন ভূত। মেয়ের বাড়িতে বুড়ি বললেন কিছুদিন পর আমি আরো আসবো তাতে তোর জন্য নানান রকম বাহারী পিঠা তৈরী করে নিয়ে আসবো। এ কথা ভূত শুনলেন। এবং বুড়ির পিছন পিছন থাকলেন কোনদিন পিঠা বানাবেন। আর কোনদিন মেয়ের বাড়ি নিয়ে যাবেন।

ভুতদের খাবারের খুবই অভাব ছিল। একদিন হঠাৎ কর বুড়ি পিঠা তৈরী করতে শুরু করলেন। একটি ভীত খবর পেয়ে বাকি ভূতদের সংবাদ দিলেন। সবাই মিলে একসাথে হয়ে বুদ্ধি করলেন। বুড়ির মেয়ে জামাই ও মেয়ের বাড়ির আত্বীয় হয়ে বুড়ির বাড়ি যাবেন

শেষে তাই হলো বুড়ির বাড়ি যাওয়ার জন্য সবাই প্রস্তুত হইলেন। সবাই নিজেদের রুপ পরিবর্তন করলেন। এবং বুড়ির বাড়ির দিকে রওনা দিলেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে বুড়ির বাড়ি পৌঁছে গেলেন। বুড়ি ডেকে বললেন আমি তোর জন্য পিঠা বানিয়ে নিয়ে যাবো বলে পিঠা তৈরূ করতেছি। তাতে তুই এসে হাজির যাই হোক ভালো হয়েছে।

অনেক পিঠা পুলি তৈরী করলেন সবাই মিলে খেতে শুরু করলেন। ভূতেরা যেভাবে পিঠা খেতে শুরু করলেন। তখনই বুড়ির সন্দেহ হইলো এভাবে তো কোনো মানুষ খাবার খায় না।

এভাবেই গেল কয়েকটি দিন একদিন বুড়ি মাছ এনেছেন এই মাছ দেখে ভুতরা তো অনেক খুশি হয়েছেন। বুড়ি মাছ রাণ্ণা ঘরে রেখে একটু বাইরে গেলেন অল্প সময়ের মধ্যে দুই ভূত কাড়াকাড়ি করে মাছগুলো খেয়ে নিলেন। একটু পর বুড়ি এসে দেখলেন মাছ নেই তাদের জিঙেস করলেন তারা বললেন আমরা জানি না।

বুড়ি আরও লক্ষ করলেন যে ভূতের আচার আচরণ একদম তার মেয়ের মতো না। সবসময়ই অন্য ভাবে থাকেন।

বুড়ি ছিলেন অনেক চালাক কয়েকদিন পরে বুড়ি চোর ধরার জন্য আবারও মাছ কিনলেন। তবে এবার মাছের সাথে প্রচুর পরিমাণ লঙ্কা যোগ করলেন। আজকেও মাছ দেখে ভূতরা মহাখুশি লঙ্কা মাখা মাছগুলো আবারও রাণ্ণা ঘরে রেখে দিয়ে বুড়ি বাইরে চলে গেলেন।

এই অল্প সময়ের মধ্যে দুই ভূত কাড়াকাড়ি করে মাছগুলো খেতে শুরু করলেন ।খেতে খেতে তাদের প্রচুর ঝাল লেগে যায়। দুই ভূতেই লাফালাফি শুরু করলেন। ঐ সময় বুড়ি ঘরে উপস্থিত এসে দেখে মাছ খেয়ে দুজনেই ঝালে লাফাচ্ছে

বুড়ি জিঙ্গাসা করলেন তোমরা লাফাচ্ছ কেন? ভূত বলে এমনিতেই, তোমার জামাই বললেন অনেক দিন থেকে নাচ করি না তাই একটু নাচ করতেছি। তখন বুড়ি বললেন বাকি মাছগুলো কি হলো একজন তো ঝালের মুখে মুখ ফসকে বলে দিলেন আমরা খেয়েছি।

বুড়ি বললেন তোমরা আমার মেয়ের বাড়ির আত্বীয় স্বজন তোমরা কিভাবে কাচা মাছ খাবেন । না তোমরা আমার অন্য কেউ ভূত বললেন আমরা হইলাম ভূত পাশের গায়ের তেঁতুল গাছে থাকি।

আমাদের খাবারের অভাবে এখানে এসেছিলাম ।
বুড়ি সাহসের সাথে বললেন আমি আগেই বুঝতে পেরেছিলাম। যে তোমরা আমার মেয়ের বাড়ির আত্বীয় স্বজন। তখনই ভূত লঙ্কাগুড়ার ভয়ে বুড়ির বাড়ি থেকে চলে গেলেন । তেতুল গাছের উপরে বসে দুই ভূতে ভাবছেন বুড়িকে বোকা বানাবেন কিভাবে?

ভাবতে ভাবতে ই কয়েকদিন কেটে গেলেন। তবুও কোনো বুদ্ধি বের করতে পারলেন না। একদিন বুড়ি ঐ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন ভূত গাছের ডালে বসে বসে চিন্তা করছেন কিভাবে বোকা বানানো যাবে বুড়িকে।বুড়িকে ভয় দেখানোর জন্য পশুপাখি ও ভয়ঙ্কর ছদ্দবেশে ভয় দেখেও বুড়িকে বোকা বানাতে পারেননি। শেষে ভূত হার মেনে সেই গ্রাম থেকে চলে যায়। তাই আমাদের বুড়ির মতো সাহসী হতে হবে। সকল প্রকার ভয় পেলে বরং ভয়কে জয় করতে হবে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page