৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: রহস্যজনকভাবে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেন ওসি সেরাজুল রাজশাহীতে ক্ষুধার্ত কুকুরের অকৃত্রিম বন্ধু ‘কাজল রেখা’: মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত শোকবার্তা সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলার পলাতক আসামি মো. হোসেন আটক মিয়ানমারকেন্দ্রিক শীর্ষ মাদক কারবারি ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিসি জাহিদের উদ্যোগে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার প্লাস্টিক যাচ্ছে পুনর্ব্যবহারে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২% রাজশাহী মহানগরীতে বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ; দুই আসামি গ্রেপ্তার, নগদ ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও তিনটি স্ট্যাম্প জব্দ সুস্থ জামায়াত কর্মী সাজুকে দেখতে রাজশাহী মেডিকেলে ডা. জাহাঙ্গীর। পটিয়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এলিন বড়ুয়ার করুণ মৃত্যু।
আন্তর্জাতিক:
ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির সঙ্গে আরজেএফ প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক জোনের প্রথম কারখানা চালু হবে ১৮ মাসের মধ্যেই অনুমোদন ছাড়াই কেরানীহাটে বাণিজ্য মেলা: অচল মহাসড়ক ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা নারীর নিরাপত্তায় পথ দেখাচ্ছে ‘সেইভ আওয়ার উইমেন’ সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সংবাদ সম্মেলন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তার দাবি এনসিপির নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি
     
             

বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: রহস্যজনকভাবে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেন ওসি সেরাজুল

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী

 

বাঘায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রুমানা (৫৯) নামের এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে প্রতিপক্ষ রেন্টুগণের বিরুদ্ধে।মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে বাঘা থানাধীন কিশোরপুর কামারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এই হত্যাকান্ডের ঘটনা কোন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়নি বা পুলিশের তৎপরতা দেখা যায়নি।নিহত রোমানা বেগম, তিনি বাঘা থানাধীন কেশরপুর কামারপাড়া গ্রামের মোঃ কামাল মন্ডলের স্ত্রী।হত্যাকান্ডের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, হামলাকারীদের আঘাতে নিহত বৃদ্ধার ছেলে কথা বলার শক্তি হারিয়েছে। সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে নিজের মনগড়া এজাহার লিখে বৃদ্ধার আহত ছেলের সাক্ষর নিয়েছেন বাঘা থানার ওসি অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। সার্বিক ঘটনা নিয়ে কিশোরপুর কামারপাড়া গ্রামের চায়ের দোকানে, হাট-বাজারে, রাস্তা ঘাটে ব্যপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।হত্যাকান্ডের বিষয়টি জানতে বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বুধবারে সরেজমিনে বাঘা থানাধীন কিশোরপুর কামারপাড়া গ্রামে যায় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী।এদিন সরেজমিনে গিয়ে নিহত বৃদ্ধার ছোট ছেলে মোহন ইসলাম জনির (৩৫) কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার মা’কে প্রতিপক্ষ মোসারফ হোসেন রেন্টু (৫৫), বেল্লাল আহমেদ বিদ্যুৎ (২৭), মোসাঃ বিউটি (৫০) ও মোসাঃ সাবানা খাতুন (২৫) লোহার রড ধারালো কাচি দিয়ে মাথায় এলাপাথাড়ী ভাবে কুপিয়ে থেতলিয়ে দেয় রক্তের স্রোত বইয়ে দিয়েছে। ওই সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে প্রতিপক্ষ সাবানা খাতুন ধারালো কাচি দ্বারা আমার স্ত্রী শান্তাকে আঘাত করে হাতের তালু কেটে দেয়। একই সময় আমার বড় ভাই বুলবুল এগিয়ে গেলে প্রতিপক্ষ রেন্টু ও বিদ্যুৎ রড ও বাঁশের লাঠি দ্বারা মাথায় আঘাত করলে সে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে গ্রামবাসীরা এগিয়ে আসলে রেন্টু ও বিদ্যুৎ দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বিউটি ও সাবানা দৌড়ে নিজ বাড়িতে ঢুকে যায়। ওই সময় স্থায়ীরা আহতদের উদ্ধার করে বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেষ নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে আমার মা বৃদ্ধা রুমানা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী রামেক হাসপাতালে নিয়ে ৮নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে (২০ অক্টোবর থেকে শুরু করে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত) টানা ৬দিন মৃত্যুর সাথে পাজ্ঞা লড়ে আমার মা মারা যান। এদিকে আহতরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়, তবে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত বুলবুল বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন।তিনি আরও বলেন, আমার মা বর্তমানে নিহত, কিন্তু এই মামলাকে হত্যা মামলায় সংশোধন করতে বল্লে এসআই আনোয়ার গত ৩দিন থেকে আমাকে হয়রানি করছে।ভুক্তভোগী শান্তা বলেন, গত (২০ অক্টোবর) সকাল বেলায় রেন্টু, বিদ্যুৎ, সাবানা ও বিউটি আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় বিদ্যুৎ ও রেন্টু লোহার রড এবং সাবানা ধারালো কাঁচি দিয়ে শাশুড়ির মাথায় এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। শাশুড়ির মাথা থেঁতলে দেওয়ায় রক্তে রাস্তা ভেসে যায়। আমি দৌঁড়ে আমার শাশুড়িকে বাঁচাতে গেলে সাবানা কাঁচি দিয়ে আমাকে কোপ দিলে আমার হাত কেটে যায়।তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন (২০ অক্টোবর) হামলার পর নিজ বাড়িতে লুকিয়ে থাকা প্রতিপক্ষ বিউটি ও সাবানাকে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয়রা। পরে তারা বাঘা থানা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে বাঘা থানার ওসি, এসআই ও ও সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে ওই দুই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন ওসি। এরপর ওসির নির্দেশে আহত বুলবুলকে বাদি করে একটি মনগড়া এজাহার লিখা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। কিন্তু ২/৩ ঘন্টা পরে অভিযুক্ত সাবিনাকে রহস্যজনক কারনে ছেড়ে দেয়া হয়।নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতা জানান, অভিযুক্ত বিদ্যুৎ ও বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল হক মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন: থানা প্রশাসনের অনৈতিক আশ্রয় ও প্রত্যক্ষ দাপটকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত বিদ্যুৎ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিল। গত ২০ অক্টোবরের হামলার পরও ওসি সিরাজুল হক পরোক্ষ সহযোগিতায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, ঘটনার পর থেকেও মূল অভিযুক্তরা ওসির সঙ্গে গোপনে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে।অভিযুক্ত আসামীকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে বাঘা থানার ওসি সিরাজুল হক জানান, এই বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। আপনার কিছু জানার থাকলে মামলার আইও আনোয়ারকে জিজ্ঞাসা করেন, বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।এ বিষয়ে মুঠোফোনে ফোন দিলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার বলেন, একটু ব্যস্ত আছি। আপনার কিছু জানার থাকলে থানায় আসতে হবে। পরে দুপুরে থানায় গিয়ে একঘন্টা অপেক্ষা করার পর এসআই আনোয়ার থানায় আসেন এবং দুইজন সাংবাদিককে ভাতের হোটেলে নিয়ে যান। ভাতের হোটেলে বসে অভিযুক্ত আসামী সাবানা ও বিউটিকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়েটি কিশোরী হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাঁর অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর মা বিউটিকে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। আনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্রী সাবানা খাতুনের বয়স ২৫ বছর, তিনি নাবালিকা, কিশোরী হলো কিভাবে? এমন প্রশ্নে উত্তর এড়িয়ে যান তিনি।ভুক্তভোগী মারা যাওয়া ৩ দিন হওয়ার পরও এখনো কেন হত্যা মামলা করেন নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি এরিয়ে যান।এরপর আসামি বিউটির জামিনের আদালতের রিকল দেখতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে গভীর রাতে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে একটি রিকল কপির ছবি পাঠান। তবে প্রেরিত সেই রিকলে আদালতের সুনির্দিষ্ট ও বাধ্যতামূলক সিল বা সরকারি মোহর না থাকায় নথিটির প্রামাণিকতা নিয়ে নতুন করে ধোঁয়াশা ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। রিকলটি প্রকৃত পক্ষে আসল নাকি ভুয়া এবং কোন প্রক্রিয়ায় আসামির জামিন সংক্রান্ত নথি তৈরি করা হয়েছে, তা শতভাগ নিশ্চিত হওয়ায় অনুসন্ধানী দলটি ইতিমধ্যে কাগজপত্রগুলো রাজশাহী জেলা জজ আদালতে পাঠিয়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শুরু করেছে, যা পরবর্তী প্রতিবেদনে নিশ্চত করা হবে।রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনের দৃষ্টিতে আসামি শুধুই একজন অভিযুক্ত, তার বয়স বেশি নাকি কম—তা মুখ্য নয়। অপরাধে জড়িত কাউকেই থানা থেকে সরাসরি ছেড়ে দেওয়ার কোনো আইনি সুযোগ বা অবকাশ নেই। যদি কোনো আসামি শিশু বা কিশোর-কিশোরী হয়, তবে আইন অনুযায়ী তার জন্য পৃথক আইনি প্রক্রিয়া (Child-friendly procedures) অনুসরণ করতে হবে, কিন্তু তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার কোনো বিধান আইনে নেই।তিনি আরও বলেন, এই নির্দিষ্ট মামলার নথিপত্র বা বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আপনি আমাকে মামলার নম্বর এবং নথির কপি পাঠিয়ে দিন।আমি বিস্তুারিত জেনে আপনাকে জনাতে পারব।এদিকে একাধিক স্থানীয়রা জানায়, হত্যা মামলার থানা পুলিশের কোন তৎপরতা নাই। হত্যা মামলার আসামী কিভাবে থানা থেকে ছাড়া পায়। কিভাবে এতবড় একটা ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে? ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, স্থানীয় সাংবাদিকদের বিষয়টি জানলে তারা পাত্তা দেয় না। আবার বেশীরভাগ মানুষ বলছেন মোটা অংকের টাকা দিয়ে বিবাদীরা পুলিশ, বাঘার সাংবাদিকসহ প্রায় সবার মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। এমনই বক্তব্য স্থানীয়দের মুখে মুখে। পাশাপাশি ২৫বছর বয়সি যুবতীকে কিশোরী বলে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ায় এসআই এবং ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা।বাঘায় বৃদ্ধা হত্যা মামলার বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সরেজমিনে টানা তিন দিন চরম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয় অনুসন্ধানী দলটি। তথ্য সংগ্রাহকদের পেশাগত কাজে বাধা দিতে বাঘার সাংবাদিক পরিচয়ধারী বেশকিছু ব্যক্তি প্রতিনিয়ত হুমকি-ধমকিসহ অর্থ প্রলোভনের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ না করার অপচেষ্টা চালায়।তবে কোনো অনৈতিক প্রস্তাব বা অদৃশ্য চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে, নিরপেক্ষ ও নির্ভীক সাংবাদিকতার স্বার্থে অনুসন্ধান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

রাজশাহীতে ক্ষুধার্ত কুকুরের অকৃত্রিম বন্ধু ‘কাজল রেখা’: মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত
শোকবার্তা সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর
টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলার পলাতক আসামি মো. হোসেন আটক মিয়ানমারকেন্দ্রিক শীর্ষ মাদক কারবারি ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি
রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ডিসি জাহিদের উদ্যোগে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার প্লাস্টিক যাচ্ছে পুনর্ব্যবহারে
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২%
রাজশাহী মহানগরীতে বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ; দুই আসামি গ্রেপ্তার, নগদ ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও তিনটি স্ট্যাম্প জব্দ
সুস্থ জামায়াত কর্মী সাজুকে দেখতে রাজশাহী মেডিকেলে ডা. জাহাঙ্গীর।

You cannot copy content of this page