ফারুকুর রহমান বিনজু, পটিয়া চট্টগ্রাম :প্রতিনিধি-
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন চরকানাই গ্রামে,সোমবার(২৬শে অক্টোবর)রাত ৪টায় যৌতুকের কারণে স্বামী নুরুউদ্দীন(২৫)গলাচিপে স্ত্রী তানিয়া কামাল নিহাত(২০)কে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া যায়।নিহতের মা বলেন,চলতি বছরের ফেব্রুয়ারীতে আমার মেয়ের বিয়ে হয়।বিয়ের ২/৩মাস পর হতে মেয়েকে শ্বশুর বাড়ির জাল,ননস,ভাই শাশুড়,জামাই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে।বাড়িতে মেয়ে বেড়াতে আসলে আর যেতে চায় না নির্য়াতনের ভয়ে।স্বামীপক্ষ ৪মাস পর বিচার বসে মেয়েকে শ্বাশুড়বাড়ি নিয়ে যায়।মাস২/১পর কুরবানীর গরু না দেয়াকে কেন্দ্র করে আবার সকলে নির্যাতন শুরু করলে মেয়ে বাপের বাড়ি চলে আসে।গত শনিবার জামাই আবার নিতে আসে এবং বলে মার খুব অসুখ এসময় তুমি পাশে না থাকলে আর বাড়ি যেতে পারবেনা। মেয়ে নির্যাতনের ভয়ে যেতে চায় না।মা, আমাকে এরা রাতে আমার গলা চেপে ধরে মেরে ফেলতে চায়।আমি বললাম যা,স্বামী স্ত্রী হয়তো দুষ্টামী করে।মেয়ে বললো আমি আজ যাব,কাল চলে আসবো।রোববার মেয়ে শ্বশুর বাড়ি যায়। সোমবার(২৬অক্টোবর)রাত ৩টা পর্যন্ত মোবাইলে মেয়ে আমার সাথে কথা বলে ঘুমিয়ে পড়েন।১ঘন্টা পর জামাই ফোন করে বলেন,আপনারা পটিয়া নিউরন হাসপাতালে আসেন তানিয়া অসুস্হ।আমরা গিয়ে দেখি কেউ নাই,ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে ডাক্তার বলেন এই মাত্র গালায় আঘাতের চিহ্ন এক মহিলা রোগী আসছিল ,আমরা মেডিকেলে পাঠাই।তাদের ফোন দিলে তারা আমজুর হাট বলেন।আবার ফোন দিলে বাড়ীতে।আমরা বাড়ী গিয়ে দেখি আমার মেয়ের নিথর দেহ পড়ে আছে।কালারপুল পুলিশ ফাড়িঁর এস আই মামুন বলেন,আমি কয়েকবার মীমাংসা করেছিলাম।তানিয়া উপজেলা কুসুমপুরা ইউনিয়নের(৫)নং ওয়ার্ডের হরিণ খাইন গ্রামের কামাল উদ্দিন মেয়ে।সে বর্তমান ৯মাসের অন্তঃসত্ব।তার স্বামী নুরউদ্দীন।পেশা মহিষ বেপারী,হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের(৬)নং ওয়ার্ড চরকনাই গ্রামের মোনাফ হাজীর পাড়ার,কান্চন মিয়ার পুত্র।তাদের ৫বছরের প্রেমের সম্পর্ক।পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন,জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী নুরউদ্দীনকে আটক করা হয়।স্ত্রী তানিয়াকে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।





মন্তব্য