২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত শিল্পী শিমলা নেপালে হিমবাহ ধসে বন্যা: নিহত ৩১, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সেবায় অটল ইউএনআরডব্লিউএ, কার্যক্রম বন্ধের দাবি প্রত্যাখ্যান বদলাচ্ছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলের চিত্র: দুবাইয়ের ট্রানজিট প্রবণতা ও নতুন ডিজিটাল নিয়ম নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: ১৫৭ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ চার শতাধিক জাতিসংঘের ভোকেশনাল কেন্দ্রে ইসরাইলি বাহিনীর তল্লাশি, অগ্নিনির্বাপণে বাধা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত: ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ
     
             

ঠাকুরগাঁওয়ে তড়কা রোগে আক্রান্ত হয়ে গরুর মৃত্যু আতঙ্কে এলাকাবাসী ও খামারিরা

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

আনিসুর রহমান মিঠু ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥

ঠাকুরগাঁওয়ে তড়কা (এনথ্রাক্স) রোগে আক্রান্ত হয়ে একদিনে দুটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এতে আতঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসী খামারিরা।রোববার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবিপুর ইউনিয়নেসর দারাজগাঁও গ্রামের আনোয়ার হোসেন এবং একই এলাকার শাহাজাহান আলির খামারে আক্রান্ত গরু দুটির মারা যায়।আনোয়ার হোসেন ও শাহাজাহান আলি জানান, তাদের গরু গুলি কদিন ধরেই কিছুটা অসুস্থ্য ছিল এবং কিছু খাচ্ছিলোনা। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করেছিলো কিন্তু রোববার হঠাৎ করেই গরু গুলি মারা যায়। গরুর এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুতে এবং লক্ষনে তারা এটাকে তড়কা বলেই নিশ্চিত করছেন।

তবে তড়কায় গরুর মৃত্যুর এ ঘটনায় এলাকায় খামারি ও গরুর মালিকদের মাঝে একটা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত এ অবস্থা থেকে মুক্তি ও সুচিকিৎসার জন্য জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।এ বিষয়ে জেলা প্রাণি সম্পদের ভেটেরেনারি সার্জন (ভি এস) রকনুজ্জামান বলেন, তড়কা বা এনথ্রাক্সে আক্রান্ত হলে গবাদি পশুর মধ্যে লক্ষণ দীর্ঘ সময় ধরেই দেখা দেয়। এ রোগ হলে গবাদি পশুর পেট ফাপা থাকে, পশু খাবেনা, চোখ মুখ লাল হবে। তবে অনেক সময় ফুড পয়জনিং হলেও গবাদি পশু মারা যেতে পারে। সাধারনত কিটনাশক মেশানো জমির ঘাস, ঠান্ডায় ডেম হয়ে যাওয়া খুদি ফিড বা আটা জাতীয় খাবার খেলেও ফুড পয়জনিং হয়ে গবাদি পশু মারা যায়। এছাড়া তড়কা হলে পশুর গায়ে ১০৬ এর ওপরে জ¦র হবে এবং নাকমুখ ও পায়খানার রাস্তা দিয়েও রক্ষ ক্ষরণ হয়ে মারা যাবে।জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ( ডিএলও) ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা এখনি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছিনা যে গরু গুলি তড়কায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে কিনা। এর আগেও ক্ষুরা রোগে বেশ কিছু গবাদি পশুর মৃত্য ঘটেছিল। আমরা আক্রান্ত এলাকায় লোক পাঠিয়েছি। তারা পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াও এলাকার গরু পালনকারী ও খামারিদের সাবধান করে আসবে। আমাদের কাছে তড়কার ভেকসিন মজুদ রয়েছে। সময় মত রোগ সনাক্ত করে আমাদের জানালে খামারিদের আতঙ্কের কিছু নেই।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page