সাইফুল ইসলাম বাবু -বিশেষ প্রতিনিধি, সিলেট>>>
আর মাত্র কয়েকদিন পর মুসলিম উম্মাহর সর্বোচ্চ ২য় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে কোরবানির পশুর বিক্রি বেড়ে চলছে।খামারীরা তাদের অতি কষ্টে লালন করা পশুটিকে প্রস্তুত করছে বাজারে বিক্রি করে উপযুক্ত মূল্য পাওয়ার আশায়। এদিকেে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী বেশী মুনাফার আশায় গবাদী পশুর শরীলের ক্ষতিকর ক্যামিকেল প্রয়োগের মাধ্যমে গরুছাগল মোটাতাজা করে আসছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এবিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও প্রতিরোধের অংশ হিসেবে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গবাদিপশুর চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।গত ২২শে জুন বিকেল ৩:৩০ ঘটিকায় উপজেলা সহোকারী কমিশনার ভুমি রিপা মনি দেবীর নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন ভেটেরিনারি ফার্মেসীতে তল্লাসি চালানো হয়। যেখানে গবাদী পশুকে ক্ষতিকর হরমোন, ষ্টেরওয়েড,ক্যামিকেল মজুদ আছে কিনা কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান না রাখতে এবং ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন বাদে কোন প্রকারের এন্টিবায়োটিক বিক্রি না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা প্রানীসম্পদ অফিসার ডাঃ আবদুল্লাহ আল মাসুদ, উপ-সহকারী প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা জাহের মিয়া, জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ উপ- পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান সহ পুলিশ সদস্যবৃন্দ।এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী সহকারী কমিশনার ভুমি রিপা মনি দেবী বলেন,সিলেট জেলা মান্যবর জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় এবং জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল বশিরুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং জনস্বার্থে তা অব্যাহত রাখা হবে।
মন্তব্য