৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
মা–বোনদের অপমান করা হচ্ছে, আমি তার প্রতিবাদ করি: জামায়াতের আমির সন্তানের ভবিষ্যৎ মনে রেখে ভোট দিন: সাতকানিয়ায় জেলা প্রশাসক আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বন্দর স্কুল মাঠে আমীরে জামায়াতের জনসভা গণজোয়ারে উঠেছে জনতার দলের কলম প্রতীক । চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনরত আরও সাত কর্মচারী বদলি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারাঃ আন্দোলনে বিশেষ মহলের ইন্ধনের আশঙ্কা বন্দর মুখপাত্রের রাজশাহী দামকুড়ায় পলাশ মেম্বার হত্যা সীমান্ত এলাকা থেকে ২ আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব চট্টগ্রামে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান প্রার্থী এজেন্টদের উপস্থিতিতেই পোস্টাল ব্যালট স্ক্যানিং, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশী কোম্পানীকে ইজারাঃ আন্দোলনে অচল বন্দর, মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষনা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> সুনামগঞ্জ
  • শাল্লায় বীর নিবাসে লুটপাট
  • শাল্লায় বীর নিবাসে লুটপাট

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    সুুনামগঞ্জ প্রতিনিধি>>> সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউপির চাকুয়া গ্রামে প্রয়াত গৌরাঙ্গ দাসের বীর নিবাসের তালা ভেঙে ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। গত ১১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এমন ঘটনা ঘটে।বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গ দাসের ছেলে প্রীতম দাস বলেন দুর্বৃত্তরা আমার বাবার বীর নিবাসের সামনের ও পেছনের দরজার তালা ভেঙে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।বাড়িটি নির্জন স্থানে হওয়ায় কেউ তা টেরও পায়নি।১২ তারিখ প্রতিবেশি অমরচাঁদ দাশ সকালে দেখেন ঘরের তালা ভাঙা।পরে তিনি প্রীতম দাশের স্ত্রীকে বিষয়টি জানান।এবিষয়ে প্রীতম দাস মুঠোফোনে বলেন, সরকারের পালা বদলের পরপরই আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয় দুষ্কৃতকারীরা।আমি আতঙ্কিত হয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে অন্যত্র চলে আসি।এরপর থেকে আমি পালিয়ে আত্মরক্ষা করতে হচ্ছে।কোনো পালিয়ে থাকছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার বাবা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা।তিনি শাল্লা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের দুইবারের নির্বাচিত কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন।আমি নিজও একজন গণমাধ্যম কর্মী।পাশাপাশি বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের শাল্লা উপজেলা কমিটির প্রচার সম্পাদকও।ফাঁকা নির্জন বাড়িতে আমরা না থাকায় লুটপাট করে সব নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।প্রায় লাখ টাকার মত ঘরে থাকা মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।এবিষয়ে পূজা উদযাপন পরিষদ শাল্লা শাখার সভাপতি অধ্যাপক তরুণ কান্তি দাস বলেন,ঘটনাটি খুবই বেদনাদায়ক। আমরা সবাই এখন এক অজানা আতঙ্কের মধ্যে আছি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর চলমান নির্যাতন,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট,হামলা,বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও মন্দিরে ভাঙচুরকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবি জানান তিনি।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page