মোঃ ফারুক হোসেন জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট >>> ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের ০২ কালিগঞ্জ ও আদিতমারী আসনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা জমে উঠেছে,এবারের নির্বাচনে আদিতমারী কালিগঞ্জে মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ন ।বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অনুপস্থিত,জাতীয় পার্টি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় লাঙ্গলের ভোট ব্যাংকে ভাটা পড়েছে, ফলে লালমনিরহাট ২ আদিতমারী ও কালিগঞ্জ উপজেলার সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনী ফলাফল অতীতের সকল হিসাব নিকেস বদলে দিবে।বিগত ৫টি সংসদীয় নির্বাচনের ধারাবাহিক ফলাফল এবার নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না ভোটের মাঠে।০৫ আগষ্টের পরবর্তী দলীয় কর্মীদের চাঁদাবাজি, সংখ্যালঘু পরিবারের নিরাপত্তা,উন্নয়ন বঞ্চনা, দলীয় কোন্দল,দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের জনতার দল ভোটের মাঠে মুল প্রতিপক্ষ,তিস্তা নদী ঘিরে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি,রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী মোর্চা গঠন,এই হিসেব নিকেষ নিয়ে ভোটারদের যল্পনা কল্পনায় ভোটের মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ ভোটের মাঠে অনুপস্থিত থাকলেও দলীয় সমর্থকদের প্রতিদিন যোগদান করিয়ে ভোটের আনুপাতিক হার বাড়াতে ব্যাস্ত দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন প্রার্থীকে।লালমনিরহাট ০২ সংসদীয় আসন আদিতমারি উপজেলা ও কালিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত । আদিতমারি ও কালীগঞ্জ আসন, দূর্গ হিসেবে একসময় পরিচিত লালমনিরহাট ০২ আসন ২০০১সাল থেকে নৌকা মার্কার দখলে চলে যায়।দীর্ঘ দিন পর আসনটিতে নতুন মুখ দেখবে এবার, মাঠ ঘুরে ভোটারদের দৃষ্টিতে এবারের নির্বাচনে মুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বিএনপির থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন রোকনউদ্দিন বাবুল, জামাতের ফিরোজ হায়দার লাভলু আদিতমারী ও কালিগঞ্জ , এবং নতুন দল জনতার চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল( অব) শামীম কামাল ,দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দলের কান্ডারী হিসেবে নেতা কর্মীদের মামলা,হামলা বিপদ আপদে পাশে থেকেছেন তিনি।আদিতমারী উপজেলার নেতা কর্মী বৃন্দ , বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী, তারা ঐক্যবদ্ধ ভাবে ভোটের মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফিরোজ হায়দার লাভলু ইসলাম ,তিনি জামাত সমর্থিত কেন্দ্রীয় দীর্ঘদিন ধরে আসন ভিত্তিক সংগঠন বিস্তৃতি,কোভিড কালীন ব্যাপক সাহায্য সহযোগীতা,০৫ আগষ্টের পরে সংখ্যালঘু পরিবার গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াত ব্যাতিক্রম উদ্দোগ গ্রহন করে,ভোটের মাঠে এটি প্রভাব ফেলবে।এছাড়া মহিলা ভোটার আকর্ষনে জামায়াতের বাড়ী বাড়ী গনসংযোগ ভোটের মাঠে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে,পলাতক আওয়ামীলীগের বিশাল ভোট ব্যাংক নিজেদের পক্ষে আনতে জামায়াত কৌশলী ভুমিকা গ্রহন করায় এবারের নির্বাচনে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী বিজয়ে শতভাগ আশাবাদী।২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসন চারদলীয় জোটের জামায়ত ইসলাম কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল,জামায়াতের প্রার্থী জোট গত ভাবে ৭৪ হাজার ভোট পেয়ে নৌকা মার্কার নিকটতম প্রতিদন্দ্বী ছিলেন।এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথে দলীয় ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে,সেই সাথে শরিক দলের প্রার্থী মুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ায় ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হবে।জাতীয়পার্টির জৌলুস না থাকলেও জোটগত ভাবে সবসময় কৌশলী অবস্থানে ছিল, এবারের পেক্ষাপট ভিন্ন হলেও শেষ সময় নির্বাচনী জোটের আশায়











মন্তব্য