ফারুকুর রহমান বিনজু পটিয়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি >>> তৎকালীন বৃটিশ সরকার দক্ষিণ চট্টগ্রামে রেলসেবা দিতে গিয়ে চট্টগ্রাম রেল স্টেশন হতে দোহাজারী পর্যন্ত শাখা লাইন স্হাপন করে দীর্ঘদিন ধরে রেলসেবা দিয়ে আসছে। যার ফলে বৃটিশ আমল থেকে বর্তমান বাংলাদেশ পর্যন্ত দক্ষিণ চট্টগ্রামে ১৪টি রেল স্টেশনের যাত্রীগণ সুফল ভোগ করে এসেছে।হতদরিদ্র বিভিন্ন পেশাজীবি, চাকরিজীবি,স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র গণ অল্প খরচে স্বল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পেরেছে।তৎকালীন রেল কতৃপক্ষ দোহাজারী শাখা লাইনের চালু থাকা সকল ট্রেনের শিডিউল রেলের প্রকাশিত ওয়াকিং টাইম টেবিল বইতে উল্লেখ করে।১লা ডিসেম্বর ২০২৩ইং থেকে কার্যকর প্রকাশিত ওয়ার্কিং টাইম টেবিল নং-৫৩ বইতে মেইল,এক্সপ্রেস ও কমিউটার ট্রেনের তালিকায়(পূর্বাঞ্চল)ক্রমিক-নং-৬৩,৬৪,৬৫,৬৬তে দোহাজারী কমিউটার ১,২,৩,৪ ও ৬৭,৬৮তে পটিয়া কমিউটার ১,২ট্রেনের শিডিউল উল্লেখ আছে।সম্প্রতি প্রকাশিত ১০ই মার্চ২০২৫ইং থেকে কার্যকর প্রকাশিত বই নং-৫৪তে,পটিয়া,দোহাজারী রুটে বন্ধ থাকা ট্রেনের কোন সময় সুচি নাই।এতে দীর্ঘদিনের সুফল পাওয়া দক্ষিণ চট্টগ্রামের যাত্রীদের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে যে,তাহলে দোহাজারী শাখা লাইন একেবারে তুলে ফেলল?তবে কেন?দীর্ঘদিন ধরে উক্ত রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার যাত্রী কল্যান পরিষদের পক্ষ থেকে রেলের সচিব, মহাসচিব,ঢাকা,মহাব্যবস্হাপক চট্টগ্রামকে ট্রেন চালুর দাবিতে স্মারক লিপি প্রদান করলে, রেল কতৃপক্ষ নতুন ইঞ্জিন আসলে ট্রেন চালু করার আশ্বাস দেন।এর মধ্যে ওয়ার্কিং টাইম টেবিল বই হতে পটিয়া,দোহাজারী রুটের শাখা লাইনের ট্রেনের শিডিউল উধাও হয়ে যাওয়াতে দক্ষিণ চট্টগ্রাম বাসীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার যাত্রী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মুঃ আইয়ুব আলী ও দক্ষিণ চট্টগ্রাম যাত্রী সাধারণের পক্ষ হইতে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,কর্তপক্ষের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে,আমরা ইন্জিনের অপেক্ষা আছি এমন সময় ওয়াকিং টাইম টেবিল বই হতে পটিয়া,দোহাজারী রুটের ট্রেনের শিডিউল বাদ দেয়াতে ভালো লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে না।পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আবু সাঈদ তালুকদার খোকন বলেন,প্রয়োজনে যাত্রী সাধারণ নিয়ে ট্রেন চালু করতে বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করতে বাধ্য হব।











মন্তব্য