আন্তর্জাতিক ডেস্ক >>> গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে ইসরাইলজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। হামাসের হাতে আটক থাকা বাকি জিম্মিদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকে সারাদেশে সমাবেশ করছেন তারা। খবর সিএনএনের।গাজায় ইসরাইলি জিম্মিদের পরিবার ও তাদের সমর্থকরা দেশব্যাপী ‘সংগ্রাম দিবস’ পালনের ডাক দিয়েছেন। এই বিক্ষোভের আয়োজন করেছে ‘হোস্টেজেস অ্যান্ড মিসিং ফ্যামিলিস ফোরাম’ নামের একটি গ্রুপ, যারা অনেকদিন ধরেই জিম্মিদের মুক্তির বিষয়টিতে সরকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলে আসছে।জাতিসংঘে ইসরাইলের সদস্যপদ স্থগিতে কাজ করবে ওআইসিজাতিসংঘে ইসরাইলের সদস্যপদ স্থগিতে কাজ করবে ওআইসি তেলআবিবে মার্কিন দূতাবাসের সামনে ইসরাইলের পতাকা প্রদর্শনের মাধ্যমে বিক্ষোভ শুরু হয়।ইসরাইলের প্রধান প্রধান সড়ক অবরোধ করে এই বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীরা ইয়াকুম জংশনের কাছে কোস্টাল হাইওয়ে টায়ার জ্বালিয়ে দেওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। দেশজুড়ে মহাসড়কগুলোতে এখন গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে সাহায্য করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গাজায় যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকার ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র: এইচআরডব্লিউগাজায় যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকার ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র: এইচআরডব্লিউ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলায় নিহত ইতাই চেনের মা হাগিত চেন বলেছেন, ‘আমরা দাবি করছি আমাদের নেতারা আলোচনার টেবিলে বসবেন এবং সকল জিম্মির মুক্তি নিশ্চিত না করে আলোচনা শেষ করবেন না।’জিম্মি নিমরোদ কোহেনের বাবা ইয়েহুদা কোহেন বলেন, ‘৮০ শতাংশের বেশি মানুষ যুদ্ধের অবসান এবং জিম্মি চুক্তি চায়। পুরো ইসরাইল এই দুঃস্বপ্নের অবসান চায়।’কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতাকারীরা গাজায় সবশেষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রায় এক সপ্তাহ পরেও, এ বিষয়ে ইসরাইল এখনো কোনো সাড়া দেয়নি। যদিও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবি, তিনি সকল জিম্মিদের মুক্তি এবং যুদ্ধ শেষ করার জন্য অবিলম্বে আলোচনা শুরু করছেন।











মন্তব্য