নিউজ ডেস্ক।। ভারতীয় আধিপত্যবাদী চক্র পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক প্যানেল স্পিকার ও হুইপ আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে চট্টগ্রামে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা বাধিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। সেই সুযোগে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতে পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার নীলনকশা বাস্তবায়ন করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
তবে দেশের সচেতন ও দেশপ্রেমিক জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই গভীর চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“শহীদ এডভোকেট আলিফকে হারানোর শোক আমাদের দুর্বল করেনি, বরং শক্তিতে পরিণত করেছে। আমরা বিভাজনের রাজনীতি নয়—ঐক্যের রাজনীতির মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে এগিয়ে চলেছি।”বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহীদ এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, শহীদ এডভোকেট আলিফ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুধু একটি পরিবারের দাবি নয়, এটি জাতির নৈতিক দাবি।
“ইনশাআল্লাহ, জনগণের ভোটে আমরা যদি সংসদে যাওয়ার সুযোগ পাই, তবে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রথম সারির কাজ হিসেবে এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করবো।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খাঁন, সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, লোহাগাড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী, নায়েবে আমীর পীরে কামেল অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজুল হক নিজামী এবং সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা আ. ন. ম. নোমান।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফুর রহমান, চুনতীর ১৯ দিনব্যাপী সীরত মাহফিলের মতোওয়াল্লী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালেক ইবনে দিনার নাজাত, শহীদ এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের পিতা জামাল উদ্দিন সওদাগর,বাবু পলাশ দাশ,চুনতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ছলিম উদ্দিন, নায়েবে আমীর মাস্টার মাহমুদুর রহমান, জামায়াত নেতা মো. রেজাউল বাহার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীসহ বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী।











মন্তব্য