১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
চট্টগ্রাম-১০ আসনে দাঁড়ি পাল্লার সমর্থনে স্বতঃস্ফূর্ত মহিলা মিছিল অন্য দলকে ভোট দিলে ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে ছারখার করে দিব: হাসনাতের প্রতিদ্বন্দী বিএনপির নেতা মঞ্জু মুন্সি। সাতকানিয়ায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় যৌথবাহিনীর প্রতীকী মহড়া চট্টগ্রাম-৯ আসনে দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হকের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা বাঁশখালীতে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে বিশাল জনসভা কর্নেল অলি পটুয়াখালী শহীদ মিনারে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর শেষ নির্বাচনী বার্তা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। নির্বাচনে ব্লেইম গেম বা নাটকের সুযোগ নেই -চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।  আমি আপনাদের সন্তান নির্বাচনী প্রচারণা শাহজাহান চৌধুরী  চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম শুরু, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট স্থগিত
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য
  • আগামী কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বগুড়ায় প্রস্তুত ৭ লাখের বেশি পশু
  • আগামী কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বগুড়ায় প্রস্তুত ৭ লাখের বেশি পশু

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    অনলাইন ডেস্ক >>> আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যতম পশু উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বগুড়া জেলায় কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। জেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, এ বছর বগুড়ায় ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৮৪২টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে জেলার মোট চাহিদা ৭ লাখ ৯ হাজার ১০টি। ফলে ১২ হাজার ৪২৭টি পশু উদ্বৃত্ত থাকছে।প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জেলায় গরু প্রস্তুত হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৭১টি, যার মধ্যে ষাঁড় রয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯৯টি, বলদ ৪২ হাজার ৭৪৬টি এবং গাভী ৮০ হাজার ৪২৬টি। পাশাপাশি ২ হাজার ৩০৪টি মহিষ, ৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৩২টি ছাগল এবং ৪৭ হাজার ১৪০টি ভেড়াও রয়েছে প্রস্তুত তালিকায়।খামারিদের সংখ্যাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। গত বছর বগুড়ায় খামারির সংখ্যা ছিল ৪৮ হাজার ৪৫৩ জন, যা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ১৪৬ জনে। তবে খামারিরা জানিয়েছেন, গবাদি পশু পালন ও প্রস্তুতিতে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। এর ফলে কোরবানির হাটে পশুর দাম বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।শেরপুর উপজেলাতেই কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৭৫ হাজার ১৪২টি পশু, যেখানে চাহিদা ধরা হয়েছে ৬৭ হাজার ৩৫২টি। এখানকার পশুগুলোর মধ্যে রয়েছে ২৩ হাজার ২৩৭টি ষাঁড়, ৭ হাজার ৪৭৩টি বলদ, ৪ হাজার ৩৩৯টি গাভী, ৩৬ হাজার ৪১২টি ছাগল, ৩ হাজার ৫২১টি ভেড়া এবং ১৬০টি মহিষ।স্থানীয় খামারি নাসির জানান, “গত বছর যে গরুটি ৫০ হাজার টাকায় প্রস্তুত করতে পেরেছিলাম, এবার সেটির খরচ পড়েছে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা। খাবার, ওষুধ এবং শ্রমিকের মজুরি সবই বেড়েছে।”জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আনিছুর রহমান জানান, “ঈদকে কেন্দ্র করে জেলায় ৮৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। রাস্তার পাশে হাট বসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”শেরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিয়ায কাযমীর রহমান বলেন, “খামারিরা এখন অনেক বেশি সচেতন। আমরা নিয়মিত প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা এবং পরামর্শ দিয়ে তাদের সহায়তা করছি, যার ফলে স্থানীয়ভাবে পশু উৎপাদন বেড়েছে এবং তা কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।”এছাড়া ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ থাকায় দেশীয় উৎপাদনকারীরাই এবার বাজারের মূল ভরসা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। যদিও এতে লাভের সম্ভাবনা বাড়ছে, তবুও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে খামারিরা রয়েছেন কিছুটা শঙ্কায়।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page