৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে পৃথিবীর চমক ইরান আল্টিমেটামের ভেতরেই ট্রাম্পের যুদ্ধ বিরতি: কোন পথে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ইরানের ড্রোন হামলা ও সৌদি আরবের জ্বালানি নিরাপত্তা সংকটে অর্থনীতি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সংকট
     
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য
  • দেশের জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি, চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানিবাহী আরো ৪ জাহাজ
  • দেশের জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি, চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানিবাহী আরো ৪ জাহাজ

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    মোঃ দিদারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম >>> মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার মধ্যেই দেশের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। এলএনজি, এলপিজি ও গ্যাস অয়েল নিয়ে চারটি জ্বালানিবাহী জাহাজ বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান করছে।সোমবার (৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারত, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও চীন থেকে এসব জ্বালানি পণ্য নিয়ে জাহাজগুলো গত কয়েক দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করে।এর মধ্যে এলপিজিবাহী ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ গত ৩১ মার্চ বন্দরে এসে বর্তমানে ভাটিয়ারী এলাকায় অবস্থান করছে। মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা ‘শান গ্যাং ফা শিয়ান’ জাহাজটি রয়েছে ডিওজে-৬ জেটিতে।এছাড়া নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি বহনকারী ‘কুল ভয়েজার’ এবং চীন থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘গ্যাস জার্নি’ গত ৫ এপ্রিল বন্দরে ভিড়েছে।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে বন্দরে চারটি জ্বালানিবাহী জাহাজ অবস্থান করছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাসের কাজ সম্পন্ন করা হবে।তিনি আরও বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এসব জ্বালানি দ্রুত খালাসে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পণ্য খালাস শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব জ্বালানি পণ্য খালাস সম্পন্ন হলে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট কিছুটা কমবে।

    মন্তব্য

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page