এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম >>> চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও সাত কর্মচারীকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। এ নিয়ে দুই দিনে মোট ১১ জন কর্মচারীকে বদলি করা হলো।০১ ফেব্রুয়ারী(রোববার) চট্টগ্রাম বন্দরের চিফ পারসোনেল অফিসারের স্বাক্ষরিত আদেশে এসব বদলি কার্যকর করা হয়। আদেশে জরুরি দাপ্তরিক ও অপারেশনাল কাজের প্রয়োজনে বদলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।বদলি হওয়া কর্মচারীরা হলেন, পরিবহন বিভাগের উচ্চ বহিঃসহকারী মোহাম্মদ শফি উদ্দিন ও রাশিদুল ইসলাম, পরিকল্পনা বিভাগের স্টেনো টাইপিস্ট মো. জহিরুল ইসলাম, বিদ্যুৎ বিভাগের এসএস পেইন্টার হুমায়ুন কবির, প্রশাসন বিভাগের উচ্চমান সহকারী মো. শাকিল রায়হান, যান্ত্রিক বিভাগের ইসিএম ড্রাইভার মানিক মিঝি ও প্রকৌশল বিভাগের মেসন মো. শামসু মিয়া।এর মধ্যে চারজনকে ঢাকার কমলাপুর কনটেইনার ডিপো এবং তিনজনকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও নৌ টার্মিনালে বদলি করা হয়েছে। তাদের আগামীকাল সোমবার দুপুর ১২টার আগেই নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।ইজারা ও বদলির প্রতিবাদে সোমবার সকাল আটটা থেকে আট ঘণ্টা কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে গঠিত এই সংগঠনের ব্যানারে কর্মসূচি পালিত হবে।চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, আন্দোলন করার কারণেই কর্মচারীদের একের পর এক বদলি করা হচ্ছে। ইজারা প্রক্রিয়া বাতিল এবং বদলির প্রতিবাদে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।উল্লেখ্য, এনসিটি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হয়। এতে ওই সময় বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। বিকেল ৪টার পর স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়।











মন্তব্য