১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
মার্কিন উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত: আর্কটিক সিল্ক রোড নিয়ে চীনের বড় পরিকল্পনা তুরস্ক সফরের সময় ট্রাম্পের গোপন বিমান বদলের নেপথ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি পারমাণবিক হামলা হলে সব মার্কিন ঘাঁটি দখলের হুঁশিয়ারি ইরানের সামরিক কর্মকর্তার পুনরায় সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ইয়েমেন, সতর্কবার্তা জাতিসংঘের শিবপুরে ইমাম পরিষদের উদ্যোগে মা’দক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রিশালের ইউএনওকে না পেয়ে ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৬ উইকেট শিকারের রহস্য জানালেন হাসান মাহমুদ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের পেস আক্রমণে মুগ্ধ হার্শা ভোগলে ডারউইনে প্রথম টেস্ট: পেসারদের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্বপ্নময় দিন বাংলাদেশের
আন্তর্জাতিক:
ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত: আর্কটিক সিল্ক রোড নিয়ে চীনের বড় পরিকল্পনা তুরস্ক সফরের সময় ট্রাম্পের গোপন বিমান বদলের নেপথ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি পারমাণবিক হামলা হলে সব মার্কিন ঘাঁটি দখলের হুঁশিয়ারি ইরানের সামরিক কর্মকর্তার পুনরায় সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ইয়েমেন, সতর্কবার্তা জাতিসংঘের যুক্তরাষ্ট্রে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পাইয়ে দেওয়ার চক্র ফাঁস, গ্রেপ্তার ১১ প্রেক্ষাপট: হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন সমীকরণ: ইরানের শক্ত অবস্থান কি মেনে নিচ্ছে জিসিসি? দোহা-বাহরাইন রুটে কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইট: বিশ্বের স্বল্পতম দূরত্বের এ৩৫০ যাত্রা দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি সত্ত্বেও জুনে ইউক্রেনের সামরিক সহায়তায় বড় উল্লম্ফন ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবের মুখে কঙ্গো: সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচও’র তীব্র খরা ও দাবানলে বিপর্যস্ত ইউরোপের অর্থনীতি: জিডিপি হ্রাসের আশঙ্কা
     
             

সম্মিলিত নজরদারি না থাকায় প্রাণ হারিয়েছে পটুয়াখালী মাঝগ্রাম খাল।

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ আরাফাত তালুকদার জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী

অপরিকল্পিত স্থায়ী বাঁধে প্রাণ হারাচ্ছে পটুয়াখালীর মাঝগ্রাম খাল।অপরিকল্পিত স্থায়ী বাঁধ ও সম্মিলিত নজরদারি না থাকায় প্রাণ হারিয়েছে পটুয়াখালী মাঝগ্রাম খাল। খনন ও স্লুইস গেট না থাকায় অস্তিত্ব বিলিনের পথে খালটির অধিকাংশ জায়গায় এখন প্রভাবশালীদের দখলে। খাল দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে পাকা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি। সরকারি মাপ অনুযায়ী খনন করে খালের প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রায় ৪০ বছর আগে পটুয়াখালী চৌরাস্তা থেকে মির্জাগঞ্জ সড়কের চৌরাস্তা মসজিদের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মাঝগ্রাম খালে কোনো স্লুইস গেট বা কালভার্ট না করেই অপরিকল্পিত স্থায়ী বাঁধ দেয় সড়ক বিভাগ। যত্রতত্র বাঁধের জন্য প্রাণহীন হয়ে পরেছে পটুয়াখালী শহরের মাঝগ্রাম খালটি। আর তাতেই মরা খালে পরিনত হওয়ায় দখল করে নেয় প্রভাবশালীরা।এদিকে খালের জায়গা ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে পাকা, আধা পাকা বাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর। খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে চলাচলের রাস্তা ও ব্যক্তিগত পুকুর। ৪০ ফিটের খালটি কোথাও কোথাও ৫ ফিটে পরিণত হয়েছে।সড়ক বিভাগের বাঁধের জন্য খালের দক্ষিণ দিকের বহমান অংশটিতে পানি না থাকায় সে খানকার কৃষকদেরও কোনো উপকারে আসছে না। অথচ এই খাল এলাকার কৃষি ও মাছ উৎপাদনে একসময় অবদান রেখেছে। স্থানীয়রা জানান, ১৯৮৩/৮৪ সালে মির্জাগঞ্জ সড়ক উন্নয়নের সময় চৌরাস্তা থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়ার সময় এখানে একটি বাধ দেওয়া হয়েছে। এর পর খালের পানি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর আর এই খাল খনন করা হয়নি। এখন ময়লা আবর্জনা ফেলে খালের ভিতরে মশার ওৎপাতে অতিষ্ঠ এলকাবাসী।
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন জানান, খালটির অবস্থান পৌরসভার মধ্যে হওয়ায় এর দায়দায়িত্ব পৌরসভার। তবে জেলা পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব থাকায় তিনি এবিষয়ে কমিটির সভায় উপস্থাপন করবেন। পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, একবছর আগে সড়ক বিভাগে বাঁধ উন্মুক্ত করার আবেদন করা হয়েছে। খাল গুলো কেটে পরিকল্পিতভাবে ব্রিজ, কালভার্ট বা স্লুইস গেট করা হলে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নসহ নৌপথ চালু করা সম্ভব হবে। কেউ দখল করলে, দখল মুক্ত করার জন্য সবকিছু করা হবে।সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এএম আতিক উল্লাহ খালটি পুনঃউদ্ধারে সড়ক বিভাগে প্রস্তাবণা দিলে বাঁধ কেটে পানি চলাচলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, শুধু মাঝগ্রাম খাল নয়, জেলার সকল খাল পুনঃউদ্ধার ও দখল মুক্ত করে পূর্বের ন্যায় প্রাণ ফিরে পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করেছে পটুয়াখালীবাসী।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page