সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি >>> চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল ২নং ওয়ার্ডের টেন্ডল পাড়ায় পাকা দেওয়ালে ঘেরাও দেওয়া ফয়েজ সওদাগরের বাগানের লোহার গেইট ভেঙ্গে ফলজ বাগানের ফলজ গাছ দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে কেটে ধংস করে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।দুর্বৃত্তরা সমস্ত ফলজ গাছে কেটে নষ্ট করে বাউন্ডারি ওয়ালের গেইট ভেঙ্গে নিয়ে যায় বলেও জানা যায়।এই নিয়ে গতকাল সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মির্জাখীল টেন্ডল পাড়ার আছহাব মিয়ার ছেলে ফয়েজ আহমদ বাদী হয়ে সাতকানিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড সামিয়ার পাড়ার ফজল আহমদের ছেলে নাছির উদ্দিন ও আহমদ কবিরের ছেলে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০/৩০জন উল্লেখ করে সাতকানিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ফয়েজ আহামদ বিগত ৩০ বৎসর পূর্বে তাহার বাড়ীর উভয় পাশে ০৪ গন্ডা জায়গায় মাঠি ভরাট করে উক্ত জায়গার চারিদিকে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করিয়া রাস্তার পাশে একটি লোহার গেইট নির্মাণ করে।এরপর উক্ত জায়গার মধ্যে নারিকেল গাছ,কলা গাছ,পেপে গাছ,কাঠাল গাছ-সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ রোপন করে।বিগত ০৩ মাস পূর্বে হতে বিবাদীগন বাদীর ভোগ দখলীয় জায়গার মধ্যে জায়গা পাবে মর্মে দাবী করে।অতপর বিবাদীদেরকে তাদের দাবীকৃত জায়গার স্ব-পক্ষে দালিলিক কাগজপত্র দেখানোর জন্য বললে বিবাদীগন কোন কাগজ দেখাতে পারে নাই।পরবর্তীতে বিবাদীগন বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বাগান থেকে কলা ও পেপে সহ অনেক ফল নিয়ে যায়।তখন থেকে বিবাদীগন জায়াগাটি দখল করবে মর্মে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দিতে থাকে।এরই ধারাবাহিতাত গত ১৭জানুয়ারি আনুমানিক রাত আড়াইটার দিকে বিবাদীগন জায়গার মধ্যে রোপণকৃত কলা গাছ, পেপে গাছ,কাঠাল গাছ,আমড়া গাছ,নারিকেল গাছ,আম গাছসহ বিভিন্ন ফলজ গাছ কেটে পেলে।যার অনুমান ৫০হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে।তারপর বিবাদীরা জায়গার বাউন্ডারি ওয়ালের মধ্যে একটি লোহার গেইট গ্রেন্ডার মেশিন দ্বারা কেটে নিয়া যায়।যাহার মূল্য দেড় লক্ষ টাকা।বলে উল্লেখ করে।তিনি গ্রেন্ডার মেশিন এর আওয়াজ শুনতে পেলে দ্রুত বাড়ী থেকে জায়গার মধ্যে আসিয়া গেইট নেওয়ার সময় বিবাদীদেরকে বাধা দিলে উক্ত বিবাদীরা তাকে হুমকি দিয়ে গেইটটি ট্রলিতে তুলিয়া নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।এব্যাপারে অভিযুক্তদের ভাই আয়ূবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাগানের গাছ কাটা ও লোহার গেইট ভাঙ্গার বিষয়ে আমরা কিছুই জানিন।আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুরো ভিত্তিহীন, এটি একটি সাজানো গল্প ছাড়া আর কিছুই নয় বলে জানান।এব্যাপারে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইঞ্চার্জ (ওসি) মোস্তফা কামাল খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগের আলোকে তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
মন্তব্য