২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
“একবার সুযোগ দিন, উন্নয়ন করে দেখাবো” — নেছারাবাদে সোহেল মনজুর সুমন তানোরের মুন্ডুমালা বাজার থেকে গ্রামগঞ্জে ধানের শীষের গণসংযোগ রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি-জামায়াতের হেভিওয়েট লড়াই, এগিয়ে শরীফ উদ্দিন রাজশাহীর খড়খড়িতে মর্মান্তিক ঘটনা: মাকে হত্যার পর রাস্তায় ফেলে পালাতে গিয়ে ছেলেসহ আটক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনুল হক (মোমিন) ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে -জাফর সাদেক চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মত বিনিময় সাম্য ও মানবিক লোহাগাড়া গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন বাগমারায় কলাবাগান থেকে জ/বাই করা লা/শ উদ্ধার ৩০০নং আসনে সাচিং প্রু জেরীর পক্ষে ১নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির উদ্যোগে বালাঘাটায় ধানের শীষের প্রচারণা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> কিশোরগঞ্জ
  • কিশোরগঞ্জে দরপত্র বন্ধ-বারণী কমিটি হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা
  • কিশোরগঞ্জে দরপত্র বন্ধ-বারণী কমিটি হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    আনোয়ার হোসেন-কিশোরগঞ্জে (নীলফামারী)প্রতিনিধি>>> নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে টটুয়ার (মেলা) বারণীর দরপত্র আহ্বান করছে না কর্তৃপক্ষ। এতে বছরে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অপরদিকে পূজা উদযাপনের নামে বারণী কমিটির বিরুদ্ধে লাখ-লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।সরেজমিনে জানা গেছে,প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের টটুয়ার ডাঙ্গায় খাস জমিতে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) থেকে ৩ দিনের বারণী মেলা শুরু হয়েছে।এতে সার্কাস,মোটরসাইকেল খেলা ও বিভিন্ন পণ্যের প্রায় ৫ শতাধিক দোকান বসেছে।কিন্ত দরপত্র আহ্বান না করায় পূজা উদযাপনের নামে বারণী কমিটির লোকজন দোকানের ধরণ অনুযায়ী জায়গার টাকা আদায় করে ফায়দা লুটছে বলে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন।ভাতের হোটেল ব্যবসায়ী জলঢাকার গাবরোল গ্রামের মিন্টু জানান, বারণী কমিটির প্রভাষ চন্দ্র তার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়েছে।আখের রস বিক্রেতা জলঢাকার খুটামারা গ্রামের তুলিপ জানান,তার কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করেছে।টটুয়ার বারণী এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মেলাবর গ্রামের সুরঞ্জিত রায় জানান,এবার বারণীতে প্রায় ৫ শতাধিক দোকান বসেছে। প্রভাষ চন্দ্র ও তার লোকজন দোকান প্রতি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করেছে।পূজা উদযাপনের জন্য মন্দির কমিটিকে ৩০ হাজার টাকা দিবে।বাকি টাকা কি করবে জানি না।এ বিষয়ে জানতে প্রভাষ চন্দ্রের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,তিনি মিটিংয়ে আছেন,এ বিষয়ে পরে কথা হবে বলে কলটি কেটে দেন।এ বিষয়ে জানতে বারণীর দরপত্র আহ্বানের অনুমোদনকারী কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page