৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বাগমারায় কলাবাগান থেকে জ/বাই করা লা/শ উদ্ধার ৩০০নং আসনে সাচিং প্রু জেরীর পক্ষে ১নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির উদ্যোগে বালাঘাটায় ধানের শীষের প্রচারণা চট্টগ্রাম বন্দরে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের সখিপুরে জাতীয় পার্টি থেকে শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান লোহাগাড়ায় যৌথ অভিযানে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক বাঁশখালীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসী আটক ও অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার উভয় পক্ষই চায় ভবনের দখল দাঁড়িপাল্লার কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজন নেই, শাহজাহান চৌধুরী সনাতনী ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিতে আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর পেশাজীবীদের সঙ্গে চাটখিলে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময়
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ >> দেশজুড়ে >> নীলফামারী >> রংপুর >> শীর্ষ সংবাদ >> সোস্যাল মিডিয়া
  • কিশোরগঞ্জে কৃষকের মাঠে কদর বেড়েছে ছাতার
  • কিশোরগঞ্জে কৃষকের মাঠে কদর বেড়েছে ছাতার

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    আনোয়ার হোসেন-কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রখর রোদ মোকাবেলায় কৃষকের মাঠে কদর বেড়েছে ছাতার।শ্রাবনের খরতাপে পুড়ছে মাঠ-ঘাট।বৃষ্টির ছিটেফোঁটাও নেই।বৃষ্টির অভাবে আগাম আমন ক্ষেত আগাছায় সয়লাব হয়ে পড়েছে।এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষক।অন্য দিকে মাঠে কাজ করতে গিয়ে খেটে খাওয়া মানুষ প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে দর দর করে ঘামছে।তবুও তারা জীবিকার তাগিদে মাঠে ছাতার নিচে কিছুটা স্বস্তির ছায়া খুঁজছেন।সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়,আমন ধানের ক্ষেতগুলো আগাছায় ভরে উঠছে। পাশাপাশি বৃষ্টির অভাবে ক্ষেতগুলো ফেটে যাচ্ছে।সর্বত্রই কৃষক ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কার ও শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দিতে ব্যস্ত সময় পার করছে।এসময় দেখা যায়,গ্রাড়াগ্রাম ইউপির টেপার হাট সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন নারী শ্রমিক রোদের তিব্রতা থেকে রক্ষায় চিকন বাঁশের খুঁটিতে ছাতা বেঁধে তার ছায়ায় নিড়ানি দিচ্ছেন। এমন চিত্র বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়।কাজে কর্মরত নারী শ্রমিক সঞ্চিতা বলেন, আগুনের গোলার মত রোদ আর ভ্যাপসা গরমে মাঠে কাজ করা মুশকিল হয়ে পড়েছে।যা গা পুড়ে যাওয়ার মত। পুড়লে কি হবে,অভাবি সংসার কাজ না করে উপায় নেই।আর এক শ্রমিক মুক্তা বলেন,বাহে বাড়িত যদি হামার গিলার থাকিল হয়,তাহলে অঙ্গার করা রোদে কাজত আসনো না হয়।পেটে খায় তাই পিঠে সয়।তাই এ রোদোত কামোত আসছি।তবে কিছুটা রোদ থেকে রেহাই পেতে বুদ্ধি খাটেয়া ছাতার নিচে নিড়ানি দেয়ছি।ওই এলাকার কৃষক মতলুবর রহমান বলেন,অনাবৃষ্টির কারণে এবছর খেতে রেকর্ড ভঙ্গ আগাছা জন্মেছে।এক বিঘা জমিতে যেখানে নিড়ানি বাবদ শ্রমিক লাগতো ৩ থেকে ৪ জন।এখন লাগছে ৭ থেকে ৮আট জন।এই রোদে খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। শ্রমিক সংকটও দেখা দিয়েছে।বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে আমন উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে।উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম বলেন,অনাবৃষ্টির হাত থেকে আমন খেত রক্ষার জন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সেচ ও নিড়ানি দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page