১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • শীর্ষ সংবাদ
  • শহিদ আবু সাঈদকে ‘জাতীয় বীর’ স্বীকৃতির দাবি
  • শহিদ আবু সাঈদকে ‘জাতীয় বীর’ স্বীকৃতির দাবি

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    নিজস্ব প্রতিবেদক>>> কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে ‘জাতীয় বীর’ স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছে পরিবার।হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মেধাবী এই শিক্ষার্থী দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করায় তাকে এই স্বীকৃতি দানে সরকারের কাছে অনুরোধ করেছেন আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন।শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার বাড়িতে যান।সেখানে তিনি আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের সপ্তম সন্তান আবু সাঈদ।২ মায়ের সংসারে মোট ৯ ভাই-বোন।বাবা মকবুল হোসেন হতদরিদ্র কৃষক। স্থানীয়ভাবে বর্গাচাষ করে চলে তার সংসার। আবু সাঈদের বড় মায়ের ঘরে ৩ ভাই ও ১ বোন রয়েছে।ছোট মায়ের সংসারে রয়েছে আবু সাঈদসহ ৩ ভাই ২ বোন।এরমধ্যে আবু রায়হান নামে এক ভাই মানসিক প্রতিবন্ধী।পুরো পরিবারের একমাত্র মেধাবী ছিল আবু সাঈদ।তাই তাকে নিয়ে পরিবারের সদস্যদের আশা-আকাঙ্খা ছিল পাহাড় সমান।আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন (৩৫) বলেন, দেশের জন্য আমার ভাই জীবন উৎসর্গ করেছে।এজন্য আমরা গর্বিত।কিন্তু আমাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, সেটি কোনকিছু দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে,ততদিন সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতা আবু সাঈদকে যেন মনে রাখে।এজন্য আবু সাঈদকে ‘জাতীয় রীব’ স্বীকৃতি চাই। চাচা মনজুর হোসেন (৬৫) বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করার জন্য এসেছেন। এর আগেও অনেকে এসেছে।তারা আমাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। কিছুদিন পর সব স্বাভাবিক হলে আবু সাঈদকে সবাই ভুলে যেতে পারে।তাই সরকারি ভাবে তাকে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করছি।রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ৬ কিলোমিটার পশ্চিমে আবু সাঈদের গ্রাম জাফরপাড়া। পীরগঞ্জ-নবাবগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক হতে আধা কিলোমিটার উত্তরে তার বাড়িটি।বরেন্দ্র অঞ্চলের লাল মাটি দিয়ে তৈরি ঘরগুলো। গাছ-গাছালি দিয়ে ঘেরা গ্রামটিতে খুব বেশি উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি।পুরো গ্রামটিতে কাঁচা ও আধা পাকা বাড়িঘর। বেশিরভাগ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি পর্যাপ্ত শিক্ষার আলো। কৃষি নির্ভর গ্রামটির উজ্বল নক্ষত্র ছিলেন আবু সাঈদ। তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেছিল গ্রামবাসী।আবু সাঈদের চাচি জোসনা বেগম (৬০) বলেন,আবু সাঈদকে নিয়ে আমাদের খুব আশা ছিল।সে ভালো কিছু করবে, এলাকার মানুষের মুখ উজ্বল হবে।সে করেছে ঠিকই, তবে জীবন উৎসর্গ করে।দেশের মানুষ তাকে দীর্ঘদিন স্মরণে রাখুক এটাই চাই।এজন্য বর্তমান সরকারকে আন্তরিক হতে হবে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, নৌপরিবহন উপদেষ্টার গাড়ি আটকালেন শ্রমিকরা
    রাষ্ট্রের ঋণ শোধের সময় এখন সাতকানিয়ায়-ডিসি জাহিদুল  
    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের ধৃষ্টতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিচার দাবি
    রামুতে দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল নুরুল হকের দুতলা বসতবাড়ি। ক্ষয়-ক্ষতি প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা
    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
    ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড (কুয়াকাটা) মিরপুর শাখা অফিসের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত
    সাতকানিয়া ভূমি অফিস ঘুষ ও দালালমুক্ত করতে সতর্ক অবস্থানে এসিল্যান্ড
    লোহাগড়ায় প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা অন্তর্ভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি পেশ

    You cannot copy content of this page