ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি জানাতে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে সমবেত হয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা। শিল্পের সৃজনশীলতাকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে ফিলিস্তিনের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা এবং শান্তি ও সংহতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অংশগ্রহণকারী ও আয়োজক
মোহাম্মদ উসমান হাসামের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তুরস্কের কুবরা বায়রামবেয় ও বুসে প্ল্যান আন্তর্জাতিক শিল্পীদের একত্রিত করতে বিশেষ সহযোগিতা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত র্যাপার এমসি আবদুল, কমেডিয়ান আনোয়ার জিবাউই এবং গায়ক আনিস। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের শিল্পীজীবনের অভিজ্ঞতা এবং ফিলিস্তিনের পক্ষে শিল্পের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
শিল্প ও প্রযুক্তির সমন্বয়
- শিল্পীরা জোর দিয়ে বলেন, শিল্প কোনো ভৌগোলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সংহতি স্থাপনে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে।
- আলোচনায় শিল্পের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর প্রভাব নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের ফলে শিল্পের ধরন কীভাবে বদলে যাচ্ছে এবং নতুন প্রযুক্তি কীভাবে শিল্পীদের বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিচ্ছে, তা নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতবিনিময় করেন।
আয়োজকদের মতে, শিল্প, প্রযুক্তি ও জনসচেতনতার সমন্বয়ে বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে একটি টেকসই শান্তি ও সংহতির পরিবেশ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে শিল্পীরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ