মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী >>> মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে চোরাচালানী মালামাল, মাদকদ্রব্য কিংবা নারী ও শিশু পাচার করতে না পারে, সে লক্ষ্যে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যগণ কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে।এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০০৪৫ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ সোনাইকান্দি বিওপি’র টহল দল নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে জানতে পারে যে, দামকুড়া থানাধীন বেড়পাড়া চৌরাস্তা মোড় নামক এলাকায় কিছু অসাধু চক্র চোরাচালানী মালামাল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে উক্ত স্থানে অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছালে চোরাকারবারী টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের নিকট থাকা ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহল দল কর্তৃক ব্যাগটি খুললে তার মধ্য হতে ৩২ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত সিরাপ দামকুড়া থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।একই দিনে রাত্রি ০০৫০ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ খানপুর বিওপি’র আভিযানিক দল নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কাটাখালী থানাধীন খানপুর নামক এলাকা দিয়ে চোরাচালানী মালামালের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে আম বাগানের মধ্যে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে দেখতে পায় যে, একজন চোরাব্যবসায়ী আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশের দিকে আসছে। তৎক্ষনাৎ তাকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে তাদের নিকট থাকা একটি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র টহল দল কর্তৃক ব্যাগটি খুললে তার মধ্য হতে ৫,০০০ পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন ।এ বিষয়ের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদেরকে শনাক্তকরণ এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিজিবি কর্তৃক গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।