মোঃ সোহেল রানা, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি >>> বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাম্যাচিং। তাঁকে চেয়ারম্যান করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ১৫ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পালের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন পরিষদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চেয়ারম্যানসহ মোট ১৫ সদস্যের এই পরিষদ পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।প্রজ্ঞাপনভিত্তিক প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা হলেন—
১. মাম্যাচিং — চেয়ারম্যান
২. চনুমং মারমা — সদস্য
৩. মং কানু মারমা — সদস্য
৪. লুসাই মং — সদস্য
৫. মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা — সদস্য
৬. দনওয়াই ম্রো — সদস্য
৭. অগাস্টিন ত্রিপুরা — সদস্য
৮. অংজাই উই চাক — সদস্য
৯. রিয়াল দাও বম — সদস্য
১০. আবদুল মাবুদ — সদস্য
১১. মশিউর রহমান মিটন — সদস্য
১২. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন — সদস্য
১৩. ক্যউ প্রু খিয়াং — সদস্য
১৪. উম্যাসিং মারমা — সদস্য
১৫. কাজী নিরুতাজ বেগম — সদস্য।বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রমের সমন্বয়েও প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।নতুন পরিষদ দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসার, কৃষির আধুনিকায়ন, পর্যটন খাতের বিকাশ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।বিশেষ করে পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করাই নতুন পরিষদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।মাম্যাচিংয়ের নেতৃত্বে নবগঠিত পরিষদ জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন, জনসেবা ও সম্প্রীতি রক্ষায় কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দাদের।