আব্দুল্লাহ আল মারুফ চট্টগ্রাম >>> দীর্ঘদিনের তীব্র গ্যাস সংকটের পর অবশেষে স্বস্তির খবর মিলল। মহেশখালীর সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জি-উভয় এলএনজি টার্মিনাল থেকেই একসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে সামিটের টার্মিনাল থেকে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। অর্থাৎ, কেবল এই দুটি টার্মিনাল থেকেই এলএনজিভিত্তিক সরবরাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে।এর আগে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে কারিগরি ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাবে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ একপর্যায়ে ১ হাজার ৭৩০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসে। পরে দ্রুত ত্রুটি মেরামত করে রাতেই পুনরায় গ্যাস সরবরাহ চালু করা হয়।অন্যদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিটের টার্মিনাল থেকেও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। ওই সময় সরবরাহ ছিল প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট, যা পরবর্তীতে রাত ও ভোরে ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করা হয়। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, আজ রাতের দিকে সামিট টার্মিনাল থেকে এই সরবরাহ আরও বাড়িয়ে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।ঘাটতি এখনও পুরোপুরি কাটেনি পেট্রোবাংলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ থাকে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যায়। ফলে জাতীয় গ্রিডে বর্তমান সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও চাহিদার তুলনায় গ্যাসের ঘাটতি পুরোপুরি কাটেনি।