ফারুকুর রহমান বিনজু, পটিয়া চট্টগ্রাম,প্রতিনিধি >>> চট্টগ্রামের পটিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে কচুয়াই ইউনিয়ন ভাইয়ের দীঘির রাস্তার পাশে জান্নাতুল মাওয়া (হুরি)নামের এক ১৩বছরের কিশোরীকে মূর্মষ আবস্হায় স্হানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া হাসপাতালে নিয়ে আসে।
পটিয়া হাসপাতালের কর্ত্যবরত চিকিৎসক শ্রাবণীদাশ গুপ্ত জানান,গত বৃহস্পতিবার (১৩ই আগস্ট) বিকাল ৫টা তারেক ও সুমন সাথে ১জন মহিলা সহ মূর্মষ কিশোরীকে নিয়ে আসলে তাকে আমরা জরুরি চিকিৎসা সেবা দিতে থাকি।সে কথা বলতে পারেনা,বুঝতে পারে। হাতে লিখতে পারে বললে, আমরা তার হাতের লিখা থেকে জানতে পারি —তার নাম জান্নাতুল মাওয়া (হুরি) (১৩),পিতা-জয়নাল আবেদীন,পেশা-গ্রাম্য পুলিশ,মাতা-রাহেলা খাতুন,বান্দরবান- জেলা, লামা- উপজেলা,ফাইতং-ইউনিয়ন,গলাছিড়া-হেডম্যান পাড়া।সে ফাইতং জুনিয়র হাইস্কুলের ৬স্ট শ্রেণীর ছাত্রী।তার রোল-৩,ক্লাস ক্যাপ্টেন।সে জানায় গত ১১ই আগস্ট বান্ধবী লিজাকে নিয়ে ইট ভাটায় বেড়াতে যায়। এ সময় হাসান নামের এক ছেলে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখান করলে,৫/৬জন যুবক মুখে স্প্রে মেরে একটি কালো হাইসে তুলে নেয়।যখন জ্ঞান ফিরে তখন সে একটি ব্লিডিং এর নীচের তলায় হাত পা বাধা আবস্হায় দেখতে পায়।পাশে কিছু বাচ্চা ছেলে খেলা করতে থাকে।কোন মতে বাধন খুলে রাস্তার দোকানের সাইনবোর্ড পড়ে সে জানতে পারে কুতুপালং।তার আবস্হার কথা হানিফ চেয়ারকোচের সুপারভাইজারকে বললে তারা তাকে গাড়ীতে উঠাইয়ে নেয়।তার দেয়া মুবাইল নং যোগাযোগ করতে গিয়ে বার বার বন্ধ পাওয়া যায়।
পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন,হাসপাতালে গিয়ে মেয়েটির সাথে আমাদের পুলিশ টিম দেখা করে সব জানতে পারে।আমরা তার দেয়া তথ্যনুযায়ী তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।