এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম >>> শতবর্ষী বাণিজ্য সংগঠন দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) ৫৭টি স্ট্যান্ডিং সাব কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। চেম্বারের কার্যক্রমে ব্যবসায়ী সমাজের তৃণমূলের মতামতকে সম্পৃক্ত করা এবং বিভিন্ন খাতের সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে এসব সাব কমিটি গঠন করা হচ্ছে।চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ জনপদের বহুমাত্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সমস্যা, সংকট, সম্ভাবনা এবং করণীয় নির্ধারণে তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দিতে চাই আমরা। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর চেম্বার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এসব সাব কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।চেম্বার সূত্রে জানা গেছে, আগ্রহী সদস্যরা আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে পছন্দের সাব কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য নাম জমা দিতে পারবেন। এজন্য সদস্যদের চেম্বারের ই-মেইল info@chittagongchamber.com-এ নাম পাঠাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।প্রস্তাবিত সাব কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে এলএমডি, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, ইন্স্যুরেন্স, পোর্ট, শিপিং, ইমপোর্টারস, এক্সপোর্টারস, পলিসি অ্যাডভোকেসি, লেবার, লাইটারেজ অ্যান্ড ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট, ফুড গ্রেইন, সল্ট অ্যান্ড স্পাইসিস, এডিবল/কুকিং অয়েল, ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট, বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস, ট্যাক্সেশন, জুট, টেক্সটাইল, স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ, ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন, ইন্টারনাল ট্রেড, উইম্যান এন্টারপ্রেনারশিপ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি, এনভায়রনমেন্ট, এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট, আইসিটি, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, পোলট্রি, ফিশারিজ, হর্টিকালচার, এআই, স্টার্টআপ, সিক ইন্ডাস্ট্রি, কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস, ইজ অব ডুয়িং বিজনেস, ডব্লিউটিও এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কিল ডেভেলপমেন্ট।এ ছাড়া ডিসেন্ট্রালাইজেশন অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস, রেমিট্যান্স, এক্সটারনাল বিজনেস শক, ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন, ব্যাকওয়ার্ড অ্যান্ড ফরওয়ার্ড লিংকেজ, ইন্টারন্যাশনাল/বাইলেটারেল ট্রেড, প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি, প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ, হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, মার্কেট অ্যান্ড শপিংমল, বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্রিন এনার্জি অ্যান্ড কার্বন কন্ট্রোল, হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লেদার অ্যান্ড লেদার গুডস, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে, স্টিল অ্যান্ড অ্যালাইড সেক্টর, সিমেন্ট ও গার্মেন্টস এক্সেসরিজ খাতও এসব সাব কমিটির আওতায় থাকছে।চেম্বার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিভিন্ন খাতভিত্তিক এসব সাব কমিটির মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের সমস্যা ও দাবিগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে নীতিগত সুপারিশ প্রণয়নেও এসব কমিটি ভূমিকা রাখবে।