বাইচুং ভুটিয়া বলেন, ‘ব্রাজিল ম্যাচের সময়টাই আমার কাছে সমস্যার।’ তিনি জানান, একই সময়ে ভারত ফিফা আসিয়ান কাপে খেলবে।
তিনি বলেন, ‘ফিফা আসিয়ান কাপ ওই সময়েই হবে, আর আমরা জানি না জাতীয় দল কেমন গঠন হবে।’
বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ১৩৮ নম্বরে থাকা ভারত আসিয়ান কাপের গ্রুপে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের সঙ্গে পড়েছে।
আসছে নভেম্বরে ব্রাজিল ভারতের মুখোমুখি হবে/সংগৃহীত
ভারত-ব্রাজিল প্রীতি ম্যাচের ঘোষণা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আনন্দের খবর হওয়ার কথা ছিল।
এ টুর্নামেন্টে শুধু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলই পরের ধাপে যাবে।
যোগ্যতা অর্জনের লড়াই এমনিতেই কঠিন।
এমন সময়ে একটি প্রদর্শনী ম্যাচের দিকে মনোযোগ সরানো নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন উঠছে।
বাইচুং ভুটিয়ার সমালোচনা শুধু সময়সূচি নিয়ে নয়।
তার কাছে ব্রাজিল ম্যাচ যেন ভারতীয় ফুটবলের মূল সমস্যাগুলো সমাধান না করতে পারার একটি প্রতীক হয়ে উঠেছে।
ভারতীয় ফুটবল কি এখান থেকে কিছু লাভ করবে?’
এই প্রশ্নটাই আসল বিতর্কের কেন্দ্রে।
কিন্তু একটি সন্ধ্যায় বিশ্বের সেরা দলের বিপক্ষে খেলা কি বছরের পর বছর ধরে চলা কাঠামোগত অবনতির ঘাটতি পূরণ করতে পারবে?
সাবেক অধিনায়কের মতে এটা সম্ভব নয়।
এটাই দেখায় ভারতীয় ফুটবলের প্রকৃত অবস্থা।’
জামশেদপুর এফসি নিয়ে অনিশ্চয়তা ভারতীয় ফুটবলের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
যে সময়ে ক্লাবগুলো সংগ্রাম করছে, উন্নয়নের পথ দুর্বল হয়ে আছে এবং বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে, সেই সময়ে একটি বড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাটির বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনের এখন উচিত নিজের ঘর গোছানো।
সিনিয়র দলের কথা বাদই দিলাম, অনূর্ধ্ব-১৭ দলও মহাদেশীয় টুর্নামেন্টে যোগ্যতা অর্জন করতে পারছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় লিগ এলোমেলো অবস্থায় আছে, জুনিয়র প্রোগ্রামের কোনো দিশা নেই এবং তৃণমূল ফুটবল উন্নয়নের জন্য কোনো টাকা নেই।’
তার এই মতামতকে সমর্থন করেছেন খেলোয়াড়রাও।
১৯৮০-র দশকে নেহরু কাপে উরুগুয়ে এবং আর্জেন্টিনা খেলেছিল।
কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সূত্র: Jugantor – Sports