মো. আরফান আলী >>> ঠাকূরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে চূরি হওয়া একটি ইজিবাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে সংঘবদ্ধ ইজিবাইক চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ঠাকূরগাঁও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।একই দিন দুপূর আড়াইটায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, হাসপাতাল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোর চক্রকে শনাক্ত করা হয়। প্রথমে গড়েয়া বাজার এলাকা থেকে মো. মোমিন (৫৪) ও মো. বাদলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই ইজিবাইক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত মো. আনোয়ার হোসেন (৫৩) ও মো. তাসলিম বাবু (৩২)কে আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তাসলিম বাবুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাই ইজিবাইকের ক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়। পরে ইজিবাইকের মালিক মো. মাসুদ রানা সেটি নিজের বলে শনাক্ত করেণ।মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৩ জুলাই সকাল ৯টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা মো. মাসুদ রানা (২১) তাঁর ইজিবাইক নিয়ে বের হন। সকাল ১০টার দিকে তাঁর বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে নিয়ে বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রের গেটের সামনে ইজিবাইকটি রেখে বাবাকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানোর পর বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে বাইরে এসে দেখেন ইজিবাইকটি নেই। পরে তিনি ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার চার আসামির বিরুদ্ধে ইজিবাইক চুরির ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া চোরাই ইজিবাইক বিক্রির সঙ্গে জড়িত পালাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।