মোঃ আরাফাত তালুকদার জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী >>> পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে তাবিজ দেওয়ার বাহানায় এক নারীকে নিজের ফাঁকা বসত ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব নামের এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।আটক মোস্তাফিজুর রহমান মাধবখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি এবং উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন পল্লী চিকিৎসক এবং বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসির দোকান রয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারীর এক বছর আগে স্বামীর সাথে পারিবারিক টানাপোড়েন শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশায় পল্লী চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে তাবিজ নিতে আসতেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কৌশলে তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীর ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে তাকে নিজের ফাঁকা বাড়িতে ডেকে আনেন। অভিযোগ রয়েছে, সুযোগ বুঝে ঘরের ভেতর মোস্তাফিজুর রহমান ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। প্রায় দুই ঘণ্টা তারা ঘরের ভেতর অবস্থান করার সময় বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে আসে। পরে স্থানীয় লোকজন ঘরের ভেতর তাদের আপত্তিকার অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতেই আসামি মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উপজেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ওই নেতার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।