মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি >>> (পাওয়ার অব বন্ডিং’-এ বাংলাদেশ–মালদ্বীপ বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায়)বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার শিক্ষা, গবেষণা এবং জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (এমএনইউ)-তে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশেষ বই উপহার প্রদান অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মান্যবর হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম রচিত “Power of Bonding and Non-Western Soft Power Strategy” গ্রন্থটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আইশাথ শেহেনাজ আদম আনুষ্ঠানিকভাবে বইটি গ্রহণ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রধান গ্রন্থাগারিক, শিক্ষক, গবেষক, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।বক্তব্যে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার কেবল বইয়ের সংগ্রহশালা নয়; এটি জ্ঞান, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের প্রাণকেন্দ্র। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাঁর রচিত গ্রন্থটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, সফট পাওয়ার এবং সমসাময়িক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ছোট ও মধ্যম আকারের রাষ্ট্রগুলোর ভূমিকা নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।হাইকমিশনার আরও বলেন, মালদ্বীপে কর্মরত বৃহৎ বাংলাদেশি কমিউনিটি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, পর্যটন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করে তুলেছে।তিনি ভবিষ্যতে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, একাডেমিক সেমিনার, বৃত্তি কর্মসূচি এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি ব্লু ইকোনমি, সামুদ্রিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, জনস্বাস্থ্য, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নের মতো খাতে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য ড. আইশাথ শেহেনাজ আদম বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই গ্রন্থটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের জন্য একটি মূল্যবান সংযোজন এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ একাডেমিক সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।