মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি >>> ওআইসি নারী বিষয়ক ৯ম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের পার্শ্ব-বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ, নারী ক্ষমতায়ন এবং শিশু উন্নয়নসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।সম্মেলনের ফাঁকে মালদ্বীপের স্বাস্থ্য, পরিবার ও কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী গিলা আলী এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ.জেড.এম. জাহিদ হোসেন-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা এবং বহুমাত্রিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। উভয় পক্ষ স্বাস্থ্যসেবা, সমাজকল্যাণ, নারী ক্ষমতায়ন, শিশু উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।বাংলাদেশের মন্ত্রী বলেন, মালদ্বীপ বাংলাদেশের একটি ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশ। তিনি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জনস্বাস্থ্য, নারী উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ বিকাশে বাংলাদেশের অর্জিত অভিজ্ঞতা ও সফলতা মালদ্বীপের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের সম্পর্ক শুধু সরকারিভাবেই নয়, বরং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বিশ্বাস, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতেও আরও সুদৃঢ় হয়েছে।অন্যদিকে মালদ্বীপের মন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং নারী ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মালদ্বীপের উন্নয়নে কর্মরত বাংলাদেশি পেশাজীবী ও প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।বৈঠকে উভয় পক্ষ নিয়মিত সংলাপ, কারিগরি সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হন।দুই দেশের মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে এবং স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ, নারী ও শিশু উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বৈঠক দুই দেশের ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করার পাশাপাশি উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ, টেকসই উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।