মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি >>> সততা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ইরাকে আবারও সম্মানিত হয়েছেন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কাচিসাইর গ্রামের কৃতি সন্তান ও মানবিক সংগঠন কাচিসাইর আলোর দিশারী-এর সহ-সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।তিনি দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ইরাকের আরবিল শহরে অবস্থিত টিশিক ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (TIU)-তে অফিস ম্যানেজমেন্ট স্টাফ হিসেবে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কর্মক্ষেত্রে তাঁর ধারাবাহিক সাফল্য, শৃঙ্খলাবোধ এবং দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে টানা তৃতীয়বারের মতো সম্মাননা ক্রেস্ট ও সম্মানী প্রদান করেছে।সম্প্রতি আরবিলে অবস্থিত টিশিক ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব হলরুমে আয়োজিত বার্ষিক মূল্যায়ন ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতি বছর ম্যানেজমেন্ট স্টাফদের কর্মদক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও সার্বিক অবদানের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম তাঁর সততা, পেশাগত দক্ষতা এবং কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে আবারও এই স্বীকৃতি অর্জন করেন।
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার পাশাপাশি তিনি নিজ গ্রামের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। মানবিক সংগঠন কাচিসাইর আলোর দিশারী-এর সহ-সভাপতি হিসেবে সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর ভূমিকা এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত।
সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন,“আমি গত ১১ বছর ধরে টিশিক ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত আছি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন করে সম্মাননা প্রদান করে থাকে। গত তিন বছরের মতো এবারও আমার কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আমাকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সম্মানী প্রদান করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, আমার সহকর্মী, পরিবার এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
স্থানীয়রা মনে করেন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি কুমিল্লার দেবিদ্বার, কাচিসাইর গ্রামের মানুষের জন্যও গর্বের বিষয়। তাঁর মতো সৎ, কর্মঠ ও দায়িত্বশীল প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করছেন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।