নিউজ ডেক্স >>> বহুল আলোচিত সামাজিক সংগঠন ” কৃষ্ণচূড়া ফাউন্ডেশন ” এর উদ্যোগে গরীব সুবিধাবঞ্চিত পড়াশোনায় আগ্রহী অর্ধশতাধিক শিশু এবং ৪ জন এতিমের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। মূলত সংগঠনটি ” মেধাবীদের পাশে আমরা-৩ ” কার্যক্রমের আওতায় এই চমৎকার উদ্যোগটি গ্রহন করেছে, এছাড়াও পূর্বে ” মেধাবীদের পাশে আমরা-১ ও ২ এর আওতায় শতাধিক শিশু শিক্ষা সামগ্রী ছাড়াও আর্থিক সহায়তা পেয়েছে এবং এখনো পাচ্ছে।। পাশে ছিলাম, আছি থাকবো এই স্লোগানের আদর্শকে ধারণ করে ২০১৯ সালের শুরুর দিকে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মিল্লাত। করোনা মোকাবিলায় সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি সে সময় ত্রান সেবা, ফ্রি চিকিৎসা সেবা ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।
সংগঠনটির বেশ কিছু ব্যতিক্রমী কার্যক্রমের মধ্যে ” স্বাবলম্বী প্রজেক্ট-৩, আমাদের ঈদ -১৩, বৈশাখের হাসি-৫, আমাদের ইফতার -৭, মেধাবীদের পাশে আমরা-৩ ” উল্লেখযোগ্য। ২০১৯ সাল থেকে শুরু করে ২০২৬ এই সাত বছরে সংগঠনটি কখনো কারো কাছে সাহায্য সহযোগিতা গ্রহন করেনি বরং স্বেচ্ছাসেবীদের পকেট খরচের অর্থায়নে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে এসেছে।শুরুতে শেরপুর জেলা কেন্দ্রীক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও বর্তমানে খুলনা, ঢাকা, কিশোরগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলা শাখা রয়েছে।ফাউন্ডেশন এর খুলনা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি এস.কে সাব্বির হাসনাত বলেন- সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। আমি ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং সেচ্ছাসেবী জনসেবার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। ‘কৃষ্ণচূড়া ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ’-এর খুলনা জেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে আমার সাংগঠনিক পথচলা শুরু হয়; পরবর্তীতে আমি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি।মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, আমাদের সুপরিকল্পিত ও ক্ষুদ্র উদ্যোগও একজন অসহায় মানুষের মূখে হাসি ও টেকসই কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে।কৃষ্ণচূড়া ফাউন্ডেশনের প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে এই সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগই মূলত আমার মূল অনুপ্রেরণা।কৃষ্ণচূড়া ফাউন্ডেশন মূলত একটি অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন (NGO/Foundation)। এটি প্রধানত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দুস্থ ও দরিদ্রদের সহায়তায় ফান্ড রাইজিং বা তহবিল সংগ্রহ এবং বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।করোনা থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত ফাউন্ডেশনটির উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারের বেশি, এছাড়াও এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার গাছ লাগিয়েছে