আবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার।। ‘রূখে দাঁড়াও অন্যায়-অবিচারে, আমরা আছি জনগণের দ্বারে’— এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, অস্ত্র উদ্ধার এবং চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব শুরু থেকেই প্রশংসনীয় ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে কক্সবাজার অঞ্চলের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে র্যাব-১৫ সর্বদা কঠোর নজরদারি ও আপসহীন অবস্থান বজায় রেখেছে।এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১৫, সিপিএসসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল সুনির্দিষ্ট তথ্য, গোপন সংবাদ এবং আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। গত ০২ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক রাত ২০:৪০ ঘটিকায় উখিয়া থানাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ ইস্ট এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে একটি হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের ওয়ারেন্টভুক্ত ও পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ধৃত আসামি কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প-১ ইস্ট, ব্লক-সি/৪, এফসিএন নম্বর-১৫০৮৮২ এর মোহাম্মদ ইলিয়াসের ছেলে মাস্টার শুক্কুর আলম(৩৮)।গ্রেফতারকৃত আসামি মাস্টার শুক্কুর আলম উখিয়া থানার একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড মামলার এজাহারনামীয় আসামি। তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্ট জারি ছিল।আসামি মাস্টার শুক্কুর আলম দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে আত্মগোপন করে আসছিল। র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে আসামির সঠিক অবস্থান সনাক্ত করে অত্যন্ত নিখুঁত ও আকস্মিক অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ধৃত আসামি মাস্টার শুক্কুর আলমকে কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে র্যাব-১৫ এর এই ধরনের কঠোর ও চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।