আব্দুল্লাহ আল মারুফ চট্টগ্রাম >>> শরীয়াহভিত্তিক সম্মেলিত ইসলামী ব্যাংকগুলোর আমানত সুরক্ষা ও গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে চট্টগ্রামে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ সোমবার সকালে ‘সম্মেলিত পাঁচ ইসলামিক ব্যাংক ডিপোজিটরস অ্যাসোসিয়েশন’-এর ব্যানারে শত শত ভুক্তভোগী গ্রাহক এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।সকাল থেকে নগরীর নিউ মার্কেট মোড়ে সমবেত হতে থাকেন ভুক্তভোগী আমানতকারীরা। সেখান থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অভিমুখে যাত্রা করে। মিছিলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে আমানতকারীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের প্রধানের সাথে জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে প্রধানত তিনটি দাবি তুলে ধরা হয়:১. গ্রাহকদের ওপর আরোপিত অবৈধ হেয়ার কাট’ বা আমানত থেকে টাকা কর্তন প্রক্রিয়া অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।২.ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।৩. ব্যাংকে রক্ষিত গ্রাহকদের আমানতের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করা।প্রতিনিধি দলের সাথে আলাপকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান আমানতকারীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের দাবিসম্বলিত স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, স্মারকলিপিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর পাঠানো হবে এবং সমস্যা সমাধানে তিনি সর্বাত্মক সুপারিশ করবেন।পরে প্রতিনিধি দল পুনরায় নিউ মার্কেট মোড়ে ফিরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মু. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আলাউদ্দিন আজাদ এবং সহ-সভাপতি শারমিন আক্তার।সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ন্যায্য দাবি জানিয়েছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই দাবির প্রেক্ষিতে কার্যকর ও ইতিবাচক সমাধান না আসলে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’পরিশেষে সংগঠনের সভাপতি মু. আবুল কালাম আজাদের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আজকের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।