ফারুকুর রহমান বিনজু পটিয়া-চট্টগ্রাম,প্রতিনিধি >>> চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডে দঃ গোবিন্দারখীল গ্রামে ১৬ই জুন ৫বছরের শিশু জায়হান আবরারের নৃশংস হত্যাকান্ডে ঘটে যাওয়া হৃদয় বিদারক ঘটনা ভুলতে পারেনি আজও এলাকা বাসী।শিশু জায়হানকে হারিয়ে শোকের মাতমে আছেন পিতা ও এলাকা বাসী। বিলাপ ধরে কান্না করছেন সন্তান হারা মা মুক্তা।শিশু জায়হান হত্যার খুনি সাদিয়া সুলতানা নিহা ছিলেন একজন প্রমিলা ফুটবলার,পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিকে নার্স পেশায় জড়িত।আগামীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী।স্হানীয়রা বলেন এই মেয়ে কোমল মতি শিশু জায়হানকে খুন করে তার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিতের পথে।পিতা,মাতার সাথে,তার বাকি জিবনও অন্ধকার কারাগারে কাটতে হবে।এলাকায় তার স্বভাব সুলভ ছিল উগ্র মেজাজ,চন্চল প্রকৃতির।চুরি,মাদক সেবন করা ছিল তার নিত্য স্বভাব।চুরি করার দায়ে প্রমিলা ফুটবল,ক্লিনিক নাসিং স্টাফ হতে সাসপেন্ড হয়।ফেইসবুকে তার ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় নারী পাচার সন্দেহে আটক করে তাকে জেরা করা হচ্ছে।প্রমিলা ফুটবল একাডেমির পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, সে সাদিয়া সুলতানা নিহা ছিলেন সাইকো প্রকৃতির অনেক সময় নিজে নিজে কথা বলতো হাসতো।তার চরিত্র ছিল সন্দেহ জনক।পুলিশ জানায় একজন নারী হয়ে কিভাবে আধ ঘন্টার মধ্যে স্বাভাবিক ভাবে হত্যাকান্ড ফিনিস করে চিরকুট দিয়ে ৩লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন,নিহত শিশুর পিতা শাহজাহান মামলা দায়ের করলে নিহা সহ তার পিতা সাইফুদ্দিন ও মাতা শাহিনুরকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।