মিজানুর রহমান বিশেষ প্রতিনিধি, ফরিদপুর >>> ফরিদপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম বুধবার (১১ জুন) নগরকান্দা উপজেলা সফরকালে উপজেলার সরকারি দপ্তর প্রধান, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হলরুমে আয়োজিত এ পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম, সেবা প্রদান, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং জনসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।সভায় উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ।সভায় জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।নবাগত জেলাপ্রশাসক কে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান উপজেলা প্রশাসন।মতবিনিময় সভা শেষে জেলা প্রশাসক উপজেলা চত্বরে আম গাছের চারা রোপণ করেন এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আকরামুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরে তিনি উপজেলা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) ঘুরে দেখেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।এরপর বিকেল ৪টার দিকে তিনি উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের মনোহরপুর খাল এবং তালমা ইউনিয়নের মানিকনগর খাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে খাল খনন ও পানি প্রবাহ সচল রাখার কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।জেলা প্রশাসকের এ সফরকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। সভা ও পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলার উন্নয়ন ও জনসেবার মান বৃদ্ধিতে জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান।তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া বলেন, ” খাল খনন করায় পানির প্রবাহ বাড়বে।এলাকার কৃষকদের উপকার হবে।সরকারি নিয়ম মেনে খাল খনন কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।