মুলাদ( বরিশাল) থেকে ফিরে এস এম জহিরুল ইসলাম >>> এক সময় মুলাদীতে সীমিত আকারে বাস চলাচল শুরু হলেও মীরগঞ্জে ফেরী চলাচলের কারনে এখন ঢাকা থেকে মুলাদী হয়ে হিজলা এবং বরিশাল থেকে হিজলা গণপরিবহন চলাচল করছে। কিছু দিন মৃধারহাট থেকে বাস চলাচল অব্যাহত ছিল। ঢাকা থেকে এখন ৪ টি পরিবহন মুলাদী হয়ে হিজলা চলাচল করে। এতে বিপুল সংখ্যক যাত্রী চকাচল করে। হিজলা থেকে বরিশাল রুটেও নানা প্রয়োজনে অনেক মানুষ যাতায়ত করে। বছররের ২ ঈদে এর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। বাস ছাড়াও মুলাদীতে থ্রি হুইলার, ব্যাটারি চালিত ভ্যান রিকসা যাত্রী বহন করে থাকে।
মুলাদীতে বিভিন্ন কোম্পানির বাস চলাচল করলেও এখানে কোন বাস স্টান্ড নাই। প্রথম দিকে মুলাদী পৌরসভার হাওলাদার বাড়ীর সামনে পরিত্যাক্ত জায়গায় অস্থায়ী বাস স্টান্ড থাকলেও সেটাকে এখন পুরান বাস স্টান্ড নামে ডাকা হয়। এখন মুলাদী মামুন সিনেমা হল যা এখন মার্কেটে রুপান্তরিত হয়েছে সেখানে রাস্তার উপর বাস দাড়ায়। ফলে রাস্তায় প্রায়ই যানজট লেগেই থাকে। সকাল এবং বিকালে এই জ্যামের পরিমাণ বেশী থাকে। পথচারীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। মুলাদী সদর একটি জনবহুল এলাকা হলেও এখানে বাস স্টান্ড ও যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের প্রায়ই চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়। এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনের ইতিবাচক ভুমিকা লক্ষ্য করা যায় না। যাত্রী সাধারণ ও ভুক্তভোগীরা মনে করেন মুলাদীতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি বাস স্টান্ড নির্মাণ খুবই জরুরী। এ বিষয়ে মুলাদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মুলাদী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আঃ ছত্তার খান বলেন, মুলাদীতে একটি অত্যাধুনিক বাস স্টান্ড খুবই জরুরী। পাশাপাশি বাস স্টান্ডে সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারী দরকার।