মাজেদুর রহমান রেজাদ, বিশেষ প্রতিনিধি। সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের গৌরব ও ঐতিহ্যের ৩৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে বর্ণিল আয়োজনে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল (বা আজ) সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ‘সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল এন্ড কলেজ, রাজশাহী’ শাখায় এই ম্যাচের আয়োজন করা হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার এই প্রীতি ম্যাচটি ক্যাম্পাসজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
শুক্রবার (৫ জুন) প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সবুজ খেলার মাঠে আয়োজিত এই আনন্দঘন ম্যাচে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। খেলার শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবল উপহার দেয়। ‘শিক্ষক একাদশ ও ‘শিক্ষার্থী একাদশ-এর মধ্যকার এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই মাঠের চারপাশে দর্শক হিসেবে উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেশ আনন্দ যোগায়।
খেলা শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জনাব আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শিক্ষা মানে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ আয়োজন ক্যাম্পাসে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে।
৩৪ বছরে পদার্পণের এই আনন্দঘন মুহূর্ত উদযাপনে এমন সুন্দর ও সফল একটি আয়োজন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। পরে মাঠভর্তি করতালির মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর এই প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটে।
বিকল্প ২: (সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল ফরম্যাট)
রাজশাহীতে সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুলের ৩৪ বছর পূর্তিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
রাজশাহী প্রতিনিধি, ৫ জুন ২০২৬:
সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের গৌরব ও ঐতিহ্যের ৩৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল এন্ড কলেজ, রাজশাহী শাখায় এক বর্ণাঢ্য প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠে আয়োজিত এই ম্যাচে শিক্ষক একাদশ ও শিক্ষার্থী একাদশের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শুরু থেকেই উভয় দলের চমৎকার আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্টাফদের দারুণভাবে উদ্বেলিত করে।
খেলা শেষে সমাপনী বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জনাব আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি খেলাধুলার বিকল্প নেই। এই ধরনের আয়োজন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সৌহার্দ্যপূর্ণ করে তোলে।” ৩৪ বছর পূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে চমৎকার এই আয়োজনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।