মোঃ আরাফাত তালুকদার জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী >>> পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আশানুরূপ পর্যটকের দেখা মেলেনি। প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর থাকলেও, চলতি বছর সৈকতের চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কুয়াকাটার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মানুষের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য।কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট, লেম্বুর বন, গঙ্গামতি ও ঝাউবন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পর্যটকদের চিরচেনা ভিড় নেই। সৈকতের ছাতা-বেঞ্চগুলো অধিকাংশ সময় খালি পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। পর্যটক না থাকায় অলস সময় পার করছেন সৈকতের ভ্রাম্যমাণ দোকানদার, ফটোগ্রাফার এবং ঘোড়া ও মোটরসাইকেল চালকরা।পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আশানুরূপ পর্যটকের দেখা মেলেনি। প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর থাকলেও, চলতি বছর সৈকতের চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কুয়াকাটার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মানুষের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট, লেম্বুর বন, গঙ্গামতি ও ঝাউবন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পর্যটকদের চিরচেনা ভিড় নেই। সৈকতের ছাতা-বেঞ্চগুলো অধিকাংশ সময় খালি পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। পর্যটক না থাকায় অলস সময় পার করছেন সৈকতের ভ্রাম্যমাণ দোকানদার, ফটোগ্রাফার এবং ঘোড়া ও মোটরসাইকেল চালকরা।পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্যে জানা গেছে, কুয়াকাটার দুই শতাধিক আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের অধিকাংশ কক্ষই এখন ফাঁকা। বুকিংয়ের হার বেশ কম হওয়ায় হোটেল মালিকদের মধ্যে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অথচ ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে হোটেলগুলো আগে থেকেই ধোয়া-মোছা ও সাজসজ্জার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল। এমনকি রুম ভাড়ায় বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া সত্ত্বেও পর্যটকদের তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি।স্থানীয় ব্যবসা সংশ্লিষ্টদের পর্যবেক্ষণে, কোরবানি ঈদের মূল ব্যস্ততা থাকে পশু কোরবানি ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর ওপর। তাই অনেকেই এই সময়ে বাড়ি ছেড়ে দূরে কোথাও ভ্রমণের পরিকল্পনা এড়িয়ে চলেন। এছাড়াও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনোদনের জন্য ভ্রমণের আগ্রহ কিছুটা কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও যেকোনো জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক টহল ও হেল্প ডেস্ক চালু রাখা হলেও পর্যটকদের অভাবই এখন কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবসার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তবে পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের পরবর্তী দিনগুলোতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর হলে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়তে পারে। সৈকতের এই নিস্তব্ধতা কেটে ফের প্রাণের স্পন্দন ফিরে আসবে এমন প্রত্যাশায় এখন দিন গুনছেন স্থানীয়রা।