আবদুর রাজ্জাক, কক্সবাজার।। কথায় আছে “রাখে আল্লাহ মারে কে” বার বার মৃত্যুপুরি থেকে ফিরে আসা একটি মুখ,একটি নাম তিনি আর কেউ নন সকলের পরিচিত মুখ জুলাই আন্দোলনে সম্মুখ সারির যোদ্ধা স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের সময় রাজপথ কাঁপানো কারানির্যাতিত নেতা কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী মেম্বার। যার জীবনের বেশীরভাগ সময় কেটেছে অন্ধকার কারাগারের নির্জন কক্ষে।রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দেয়া একের পর এক মিথ্যা মামলার ঘানি টানতে টানতে সে আজ বড়ই ক্লান্ত। তার একটিই কারণ সে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র রাজনীতির সাথে জড়িত।এ কারণেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পর পর দুই বার গুলি করলেও এলাকার অসহায় গরীব মেহনতী মানুষের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে বেঁচে যায়।পতিত আওয়ামী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সম্মুখ সারির একজন লড়াকু যোদ্ধা লিয়াকত আলী মেম্বার। যাকে জেল-জুলুম দমিয়ে রাখতে পারেনি”।ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপি এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিএনপির এখন চলছে সুসময়। সুসময়ে দেখা মিলছে অনেক বিএনপি নেতার। এমন দেখা মিলছে কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলাতেও।সুসময়ে এখন অনেককেই কৃতিত্বের ভাগিদার হতে আসছেন। কিন্তু দুঃসময়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা বিএনপির মাঠে কে ছিল? কার অবদানে গত ১৭ বছর বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থেকেছে এ সদর উপজেলায়।দেশে গত ১৭ বছর বিরাজনীতিকরণের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সভাপতি এমইউপি কারা নির্যাতিত জননেতা লিয়াকত আলী মেম্বার । দেশের রাজনীতির ক্রান্তিলগ্নে ও দুঃসময়ে সদর উপজেলা বিএনপির হাল ধরে মাঠে ছিলেন সক্রিয়। দলের বিভিন্ন দিবস, সভা-সমাবেশও করেছেন নেতাকর্মীদের নিয়ে। এবার এই নেতাকে নিয়ে স্বপ্ন বুনছেন নির্যাতিত নেতাকর্মীরা। দলের জন্য তিনি একাধিক বার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ ও করেছেন এ নেতা। তার পরেও দমে যাননি। দলের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন যাচ্ছেন।দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে, বিগত ১৬ বছর দলের নেতাকর্মীরা হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এসবের মধ্যে সকলের পাশে থেকে লিয়াকত আলী মেম্বার সাহস যুগিয়েছেন নেতাকর্মীদের। কারাবন্দী নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের দায়িত্বসহ দলের নেতাকর্মীদের কারামুক্তির ব্যবস্থাও করেছেন তিনি।দেশের রাজনীতির ক্রান্তিলগ্নে ও দুঃসময়ে সদর উপজেলা বিএনপির হাল ধরে মাঠে ছিলেন বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী মেম্বার। দুঃসময়ে দলের বিভিন্ন দিবস, সভা-সমাবেশও করেছেন নেতাকর্মীদের নিয়ে। এবার এই নেতাকে নিয়ে স্বপ্ন বুনছেন নির্যাতিত নেতাকর্মীরা তাদের আশা দল তাকে তার কর্মের মুল্যায়ন করবেন।তবে নেতা কর্মীদের অভিযোগ বিগত ১৬ বছর ধরে এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন সদর উপজেলার অনেক নেতা কর্মী। অনেকে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের সাথে যোগ সাজোস করে ব্যবসা-বানিজ্যে নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করছেন, বিএনপির পরিচয় দিতে ভয় পেয়েছেন। ছাত্রদল, যুবদলের নেতাকর্মীরা মিথ্যা মামলা নিয়ে আদালত পাড়ায় ঘুরেছেন দিনের পর দিন খবর নেওয়ার কোনো নেতা ছিল না সদর উপজেলাতে ।বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনদিন কখনই মাঠে ছিল না বিএনপির অনেক নেতা। তারা এখন কোন মুখ নিয়ে বিএনপি নেতা দাবি করেন ? কিন্তু তারাই এখন বড় বিএনপি নেতা হিসেবে নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করছেন। চেষ্টা করছেন দুঃসময়ে দলের হাল ধরা সদর উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটিকে।তবে কক্সবাজার সদর উপজেলা বিএনপির তৃনমুলের নেতাকর্মীরা জানান, হামলা-মামলা-নির্যাতন সহ্য করে বছরের পর বছর দল ও নেতাকর্মীদের বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার । নানা বাঁধা বিপত্তি, আওয়ামীলীগের ককটেল-হাত বোমা হামলা, প্রশাসনের বাঁধা উপেক্ষা করে লাখো মানুষের সমাগমে ঘটিয়েছেন বিভিন্ন সভা সমাবেশে।ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতা কর্মিরা জানান, সহজ-সরল মাটির মানুষ আমাদের ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার। ওনার নেতৃত্বে আমরা ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপিসহ উপজেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ।ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা কাজল ও রেজাউল জানান, ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বারের নেতৃত্বে হরতাল-অবরোধে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কসহ সদর উপজেলাব্যাপী বিএনপির পক্ষে সরকারবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল। নানা প্রতিকুল পরিবেশ থাকা স্বত্ত্বেও করোনা-কালীন উপজেলাবাসীর পিছে দাঁড়িয়েছিলেন । এজন্য হাসিনা সরকারের মিথ্যা মামলা খেয়েছিলেন তিনি। একাধিকবার কারাবারণ করেছেন তিনি। পুলিশের হাতে হয়েছেন নির্যাতনের শিকার। মামলা-হামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীদের জামিন করানো, পরিবারের পাঁশে দাঁড়ানোসহ সব দায়িত্ব পালন করে তিনি আজ ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির জনপ্রিয় জননেতায় পরিণত হয়েছেন।ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীরে বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর হাসিনা ও তার দোসরদের কঠিন নির্যাতন উপেক্ষা করে লিয়াকত আলী মেম্বার তৃণমুল নেতা-কর্মী ও জনগণের পাঁশে দাঁড়িয়েছেন। তার নেতৃত্বে ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপি এক ও ঐক্যবদ্ধ।পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সম্মুখ সারির একজন যোদ্ধা কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কারা নির্যাতিত জননেতা লিয়াকত আলী মেম্বার। যার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বলতে গেলে একটি অসহনীয় অধ্যায় যা অত্যন্ত দুংখজনক হলেও সত্য।আজকের দিনে যে নেতার আবির্ভাব ঘটেছে তাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রাজনৈতিক ভাবে পরিচয় লাভ করে। কিন্তু ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার এর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার অত্যন্ত দুঃখ ও ঝড় তুফানের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে। যার গল্প গুলো বলছিলেন তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক সহপাঠী।তার ভাষ্যমতে আওয়ামী লীগের রোষানলে পড়ে মেম্বার লিয়াকত আলী মাসের পর মাস ধরে তার মাতৃভূমি বিসিক শিল্প নগরীর থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে এমনকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ডজন ডজন মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলার আসামি হতে হয়েছে। আবার সেই মামলার ভার বহন করতে গিয়ে নিজের জায়গা জমি পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে যা ঝিলংজার সর্বস্তরের মানুষ অবগত আছেন। তার পরও বিএনপির রাজনীতি থেকে এক বিন্দুও পিছ পা হয়নি। অদম্য সাহস আর বুকে শহীদ জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দূর সময়ে বিএনপির হাল ধরে আজকের এই পর্যন্ত অটুট বলে দাবি করেন ঐ ব্যক্তি।শুধু তা নয় আজকের দিনে আওয়ামী লীগের দোসরদের চক্রান্তের শিকার হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত।সেই আওয়ামী স্বৈরাচারেদের একটাই উদ্দেশ্য যে, মেম্বার লিয়াকত আলীর মানহানি করে তাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করে ঝিলংজা ইউনিয়নে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান কে কোণঠাসা করা সে সমস্ত কুচক্রী স্বার্থান্বেষী মহলের একমাত্র উদ্দেশ্য বলে অভিযোগ করেন। পতিত আওয়ামী লীগের শাসনামলে তাকে মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলায় ফাঁসিয়ে তাকে যখন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে তখন তার সহধর্মিণী সংবাদ সম্মেলন করতে চাইলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে মিডিয়া কর্মীদের হুমকি দেয়া হয় যে মেম্বার লিয়াকত আলীর পক্ষে কোন ধরনের মিডিয়া রিলিজ করা যাবে না। তার একটাই মাত্র উদ্দেশ্যে ছিল ঝিলংজা ইউনিয়নে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান কে কোণঠাসা করা আর আওয়ামী লীগের স্বৈরশাসন কে বিস্তৃত করা। সেই থেকে আওয়ামী লীগের রোষানলে পড়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়ার শীর্ষ কারিগর হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন কারা নির্যাতিত জননেতা লিয়াকত আলী মেম্বার। আজকের দিনে ঝিলংজা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অবহেলিত বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর একমাত্র কন্ঠস্বর হিসেবে খুব বেশি পরিচিতি লাভ করেছে জনাব লিয়াকত আলী মেম্বার, তার এই সাফল্য গাঁথা রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধুলিসাৎ করার জন্য কিছু কুচক্রী স্বার্থান্বেষী মহল উঠে পড়ে লেগেছে বলে দাবি করেন তার এই রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। গত জাতীয় নির্বাচনে তাকে এবং তার দলীয় প্রার্থী কে ভোটে পরাজিত করার জন্য বিশেষ কিছু মহল তথা ঘরের ভিতর ও ঘরের বাইরে উঠে পড়ে লেগেছিল বলে দাবি করেন। তার পরও তার এবং দলীয় প্রার্থীর বিজয় কেউ ঠেকাতে পারিনি বলে দাবি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধার। বর্তমানে ঝিলংজা ইউনিয়নে লিয়াকত আলী মেম্বারের চেয়ে রাজনৈতিক অবস্থান থেকে কেউ এগিয়ে নেই বলে মন্তব্য করেন তার ঐ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। তাই আগামী তে রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বড় কিছু অর্জন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অপর দিকে এ বিষয়ে ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার বলেন, দলের দুঃসময়ে প্রিয় নেতা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ ও লুৎফুর রহমান কাজলের সার্বিক সহযোগিতায় দলের পাঁশে সাধ্যমতো থাকার চেষ্টা করেছি। শেষ জীবন পর্যন্ত শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে অবিচল থাকবো ইনশাআল্লাহ।
অপরদিকে বৃহত্তর মুহুরী পাড়া জঙ্গল সলিমপুর হওয়া প্রসঙ্গে বলেন,
কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়নের বৃহত্তর মুহুরী পাড়া জঙ্গল সলিমপুর হওয়ার আগে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করেন বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী মেম্বার।
বৃহত্তর মুহুরী পাড়ার সম্মানহানি রুখে দাঁড়ান: প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
জনস্বার্থে— সচেতন বৃহত্তর মুহুরী পাড়াবাসী
ঝিলংজা ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হলো আমাদের বৃহত্তর মুহুরী পাড়া। অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (Social Media) এই এলাকাটিকে নিয়ে তীব্র প্রোপাগান্ডা ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। এমনকি এই শান্ত ও জনবহুল এলাকাটিকে চট্টগ্রামের কুখ্যাত ‘জঙ্গল সলিমপুর’-এর সাথে তুলনা করে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে!
কোথাকার কোন পরিস্থিতির সাথে আমাদের এই ঐতিহ্যবাহী জনপদের তুলনা করা হচ্ছে? একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এই ধরনের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তুলনা আমাদের বুকে চরম আঘাত করে। আমরা, বৃহত্তর মুহুরী পাড়ার সাধারণ ও শান্তিপ্রিয় বাসিন্দারা, এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই— “বৃহত্তর মুহুরী পাড়াকে কোনোভাবেই দ্বিতীয় জঙ্গল সলিমপুর হতে দেওয়া হবে না।”
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন
এলাকার সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার আগেই এবং কোনো বড় ধরনের অপরাধচক্র মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার পূর্বেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
কক্সবাজার জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার মহোদয় এবং সমস্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর (র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা) কাছে আমাদের
বিনীত অনুরোধ:
তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ: মুহুরী পাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং পর্দার আড়ালে থেকে এলাকার পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করুন।
নজরদারি বৃদ্ধি: এলাকাটি যেন কোনো অপরাধী চক্রের অভয়ারণ্য বা কোনো অবৈধ কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে না পারে, সেজন্য এখনই গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিয়মিত টহল জোরদার করুন।
সচেতনতা সৃষ্টি: প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা সাধারণ জনগণও যেকোনো অন্যায় রুখে দিতে প্রস্তুত।
আমাদের শেষ কথা:
আমরা আমাদের মাতৃভূমি সমতুল্য এই এলাকাটিতে শান্তি, নিরাপত্তা এবং সম্মান নিয়ে বাঁচতে চাই। কোনো কুচক্রী মহলের অপবাদের কারণে বৃহত্তর মুহুরী পাড়ার সুনাম ক্ষুণ্ন হতে দেব না। প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপই পারে এই সুন্দর এলাকাটিকে রক্ষা করতে।
বৃহত্তর মুহুরী পাড়ার সম্মানহানি রুখে দাঁড়ান: প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
জনস্বার্থে— সচেতন বৃহত্তর মুহুরী পাড়াবাসী
ঝিলংজা ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হলো আমাদের বৃহত্তর মুহুরী পাড়া। অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (Social Media) এই এলাকাটিকে নিয়ে তীব্র প্রোপাগান্ডা ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। এমনকি এই শান্ত ও জনবহুল এলাকাটিকে চট্টগ্রামের কুখ্যাত ‘জঙ্গল সলিমপুর’-এর সাথে তুলনা করে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে!
কোথাকার কোন পরিস্থিতির সাথে আমাদের এই ঐতিহ্যবাহী জনপদের তুলনা করা হচ্ছে? একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এই ধরনের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তুলনা আমাদের বুকে চরম আঘাত করে। আমরা, বৃহত্তর মুহুরী পাড়ার সাধারণ ও শান্তিপ্রিয় বাসিন্দারা, এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই— “বৃহত্তর মুহুরী পাড়াকে কোনোভাবেই দ্বিতীয় জঙ্গল সলিমপুর হতে দেওয়া হবে না।”
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন
এলাকার সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার আগেই এবং কোনো বড় ধরনের অপরাধচক্র মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার পূর্বেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
কক্সবাজার জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার মহোদয় এবং সমস্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর (র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা) কাছে আমাদের
বিনীত অনুরোধ:
তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ: মুহুরী পাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং পর্দার আড়ালে থেকে এলাকার পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করুন।
নজরদারি বৃদ্ধি: এলাকাটি যেন কোনো অপরাধী চক্রের অভয়ারণ্য বা কোনো অবৈধ কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে না পারে, সেজন্য এখনই গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিয়মিত টহল জোরদার করুন।
সচেতনতা সৃষ্টি: প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা সাধারণ জনগণও যেকোনো অন্যায় রুখে দিতে প্রস্তুত।
আমাদের শেষ কথা:
আমরা আমাদের মাতৃভূমি সমতুল্য এই এলাকাটিতে শান্তি, নিরাপত্তা এবং সম্মান নিয়ে বাঁচতে চাই। কোনো কুচক্রী মহলের অপবাদের কারণে বৃহত্তর মুহুরী পাড়ার সুনাম ক্ষুণ্ন হতে দেব না। প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপই পারে এই সুন্দর এলাকাটিকে রক্ষা করতে।