আব্দুল্লাহ আল মারুফ >>> কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।গত বুধবার (২০ মে) সদর উপজেলার তেতৈয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মো. কালু মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে জাহাঙ্গীর আলমের ছোট ভাই স্থানীয় দোকানি আরিফ উল্লাহর দোকানে সিগারেট কিনতে যান। সেখানে কেনাকাটার একপর্যায়ে দোকানি আরিফের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে ছোট ভাই বাড়িতে ফিরে বিষয়টি তাঁর বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমকে জানান।ছোট ভাইয়ের কাছে ঘটনা শুনে জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার কারণ জানতে আরিফের দোকানে যান। আরিফের কাছে গালমন্দ করার প্রতিবাদ জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এতে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। ঘটনার আকস্মিকতায় দোকানি আরিফ উত্তেজিত হয়ে দোকান থেকে ধারালো ছোরা বের করে জাহাঙ্গীরের শরীরে উপর্যুপরি আঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।পরে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত স্থানীয় জনতা জড়িত সন্দেহে দুই নারীকে আটকে রেখে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।তিনি আরও জানান, মূল অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।