নিজস্ব প্রতিবেদক।। মহেশখালীতে জমি-জমা ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনসহ শ্বশুরবাড়ির স্বজনদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন নুর উদ্দীন নামের এক মাদক কারবারি । তার বিরুদ্ধে ৩ টি মাদক মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত নুর উদ্দীন মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা চরপাড়া এলাকার মৃত হাজী সিরাজুল ইসলাম সওদাগরের ছেলে। মামলায় তার স্ত্রী রেহেনা আক্তারকে ভিকটিম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বাদীর আপন বড় ভাই, ছোট ভাই, বোন, ভগ্নিপতি, শ্বশুরবাড়ির সদস্য, এমনকি ভিকটিমের মা, ভাই-বোন ও এক জনপ্রতিনিধিও। মামলায় উল্লেখিত আসামিরা হচ্ছে বাদীর আপন বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক, যিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে কক্সবাজারে সপরিবারে বসবাস করছেন; ছোট বোনের স্বামী রেজাউল করিম হিরু একজন দুবাই প্রবাসী। ভিকটিমের আপন ভাই মোজাম্মেল হক মালেশিয়া প্রবাসী, বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (ইউপি সদস্য) জয়নাল উদ্দীন মেম্বার, বাদীর প্রবাসী ভাই আব্দুল কাদের; ভিকটিমের বোন জামাতা এরশাদ উল্লাহ; বাদীর ছোট ভাই নুরুল আলম; ভিকটিমের ভাই মো. রাসেল ও মো. নয়ন। এছাড়া আসামিদের তালিকায় রয়েছেন বাদীর বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী হাসিনা আক্তার, বাদীর ছোট বোন ও রেজাউল করিম হিরুর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা রিমা, বাদীর ভাই আব্দুল কাদেরের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার, ভিকটিমের মা নুর আয়েশা বেগম, বাদীর বোন মর্জিনা আক্তার এবং ভিকটিমের বোন ও এরশাদ উল্লাহর স্ত্রী হাসিনা আক্তার।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় ১, ২, ৪ ও ৬ নম্বর আসামি দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিম রেহেনা আক্তারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় দাবি করা হয়, এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় ভিকটিম বর্তমানে সাত মাসের গর্ভবতী।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, তাদের পিতা সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে মামলার বাদী নুর উদ্দীনের সঙ্গে তার অন্যান্য ভাই-বোনদের জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলমান রয়েছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে পারিবারিক বিচার-সালিশ অনুষ্ঠিত হলেও নুর উদ্দীন কোনো বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভাই-বোনদের সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে তিনি তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় হয়রানিমূলক মামলা দায়ের এবং থানায় অপ্রয়োজনীয় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে আসছেন।
মামলার এজাহার ও নুর উদ্দীনের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে বেশ কিছু অসঙ্গতি উঠে এসেছে। এজাহার অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ভিকটিম রেহেনা আক্তারের মা, ১৩ নম্বর আসামি নুর আয়েশা বেগম, দাওয়াতের কথা বলে ভিকটিমকে তার বাপের বাড়ি নিয়ে যান। পরে ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভিকটিমের বাপের বাড়িতে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার প্রথম ঘটনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নুর উদ্দীনের দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, একই দিন অর্থাৎ ৪ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী রেহেনা আক্তার তার সঙ্গে অভিমান করে তাকে না জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। নুর উদ্দীনের দাবি, ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে তিনি বড় মহেশখালীর সাতঘরিয়াপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে গেলে স্ত্রী রেহেনা আক্তার তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তার ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় পরদিন, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে, তিনি মহেশখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অপর দিকে দেখা যায় নুর উদ্দীন বিভিন্ন সময় তার স্ত্রী রেহেনা আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় মামলার সাক্ষী জাহেদের সঙ্গে। মামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নুর উদ্দীনের অধীনে তার বাড়ির আঙিনায় কাজ করছেন। তবে মামলায় উল্লেখিত ধর্ষণের মতো কোনো ঘটনার বিষয়ে তার জানা নেই বলে জানান তিনি।
জাহেদের ভাষ্য অনুযায়ী, নুর উদ্দীন তার স্ত্রী রেহেনা আক্তারকে দিয়ে বিভিন্ন সময় কক্সবাজার-টেকনাফ এলাকা থেকে বিশেষ কৌশলে ইয়াবা বহন করে মহেশখালীতে নিয়ে আসতেন বলে তিনি শুনেছেন ও দেখেছেন বলে দাবি করেন। তার অভিযোগ, রেহেনা আক্তার ইয়াবা বহনে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে নির্যাতন করা হতো। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি কয়েকবার বাবার বাড়িতে চলে গেলে নুর উদ্দীন থানায় অভিযোগ দায়ের, বিচার-সালিশসহ বিভিন্ন উপায়ে তাকে পুনরায় বাড়িতে ফিরিয়ে আনতেন বলেও জানান তিনি।
সাক্ষী জাহেদ আরও দাবি করেন, বর্তমানে রেহেনা আক্তার গর্ভবতী হওয়ায় আগের মতো মাদক পরিবহনের কাজে অংশ নিতে না পারায় তাকে একাধিকবার মারধর করা হয়েছে। পরে তিনি জানতে পারেন, নুর উদ্দীন তার আপন ভাই-বোনসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। জাহেদের দাবি, নুর উদ্দীনের আচরণ ও পারিবারিক বিরোধের কারণে তার বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক গত ৭ থেকে ৮ বছর ধরে বাড়িতে আসেন না। একইভাবে পরিবারের অন্য ভাই-বোন ও আত্মীয়স্বজনদের অনেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মামলার আরেক সাক্ষী শেফায়েত উল্লাহ বলেন, মামলায় উল্লেখিত ধর্ষণের ঘটনার বিষয়ে তার কোনো জানা-শোনা নেই। তার দাবি, তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ মামলার সাক্ষী করা হয়েছে। শেফায়েত উল্লাহর অভিযোগ, নুর উদ্দীনের মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি ও স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এ কারণে নুর উদ্দীনের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং একাধিকবার তাদের ভয়ভীতি ও হামলার চেষ্টার মুখেও পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিরোধের জের ধরে তাকে বিতর্কিত ও হয়রানির মুখে ফেলতেই নুর উদ্দীন এমন একটি মামলায় তার নাম সাক্ষী হিসেবে যুক্ত করেছেন বলে তিনি ধারণা করছেন। তবে মামলায় উত্থাপিত ধর্ষণের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি কোনো তথ্য জানেন না বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এদিকে মামলার ১৩ নম্বর আসামি ও ভিকটিমের মা নুর আয়েশা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তুলনামূলকভাবে সচ্ছল মনে করে তারা তার ছোট মেয়েকে বিবাহিত নুর উদ্দীনের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন। তবে বিয়ের পর থেকেই নুর উদ্দীন তার মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন বলে দাবি করেন তিনি। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তার মেয়ে মাঝেমধ্যে বাবার বাড়িতে চলে আসতেন বলেও জানান তিনি।
নুর আয়েশা বেগমের ভাষ্য, মেয়ে বাবার বাড়িতে আসার পর নুর উদ্দীন সেখানে গিয়ে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাকে পুনরায় নিয়ে যেতেন। একপর্যায়ে নির্যাতনের বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে তারা স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল উদ্দীন মেম্বারকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে মেয়ের ওপর আর নির্যাতন করা হবে না—এমন শর্তে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে মেয়েকে পুনরায় নুর উদ্দীনের কাছে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তার অভিযোগ, পূর্বের ওই বিরোধের জের ধরেই ক্ষোভ থেকে নুর উদ্দীন তাকে, তার ছেলে-মেয়ে, মেয়ের জামাতা এবং ইউপি সদস্য জয়নাল উদ্দীন মেম্বারকে মামলার আসামি করেছেন। তিনি আরও বলেন, “মামলার তালিকায় থাকা নুর উদ্দীনের ভাই আব্দুর রাজ্জাক ও তার বোন জামাইকে আমি জীবনে কখনো দেখিনি, এমনকি চিনিও না।”
মামলায় উল্লেখিত আসামি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তিনি একজন সংবাদকর্মী এবং পেশাগত কারণে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ কক্সবাজার শহরে বসবাস করছেন। তার দাবি, দীর্ঘ সময় পর তিনি সর্বশেষ তার বাবার মৃত্যুর সময় বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর আর বাড়িতে যাওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
আব্দুর রাজ্জাকের অভিযোগ, বাড়িতে গেলে তার ভাই নুর উদ্দীন তার প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। তিনি দাবি করেন, তার অংশের সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে নুর উদ্দীন এককভাবে ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি নিজের সম্পত্তির হিস্যা নিয়ে কথা বলা শুরু করায় পরিকল্পিতভাবে তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মামলায় ধর্ষণের অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এজাহারে ভিকটিমকে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা উল্লেখ করা হয়েছে। তার মতে, ভিকটিমের গর্ভের ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে প্রকৃত সত্য ও দায়ী ব্যক্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। তিনি সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার প্রতি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করা হোক।”
মামলায় অভিযুক্ত বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল উদ্দীন মেম্বার বলেন, নুর উদ্দীন তার স্ত্রীকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ পেয়ে বিভিন্ন সময় তাকে বিষয়টি মীমাংসায় এগিয়ে আসতে হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্যাতনের কারণে নুর উদ্দীনের স্ত্রী একাধিকবার বাবার বাড়িতে চলে আসতেন। একপর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি তাকে জানানো হলে তিনি নুর উদ্দীনকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে ভবিষ্যতে স্ত্রীকে নির্যাতন না করার শর্তে মেয়েটিকে তার স্বামীর কাছে ফিরিয়ে দেন।
জয়নাল মেম্বার দাবি করেন, এরপরও দাম্পত্য কলহ ও পারিবারিক বিরোধের ঘটনা ঘটলে তিনি স্থানীয়ভাবে তা সমাধানের চেষ্টা করতেন। তার মতে, মেয়ের পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণেই নানা সমস্যার মধ্যেও তাদের সংসার এতদিন টিকে ছিল।
তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে তিনি ভিকটিমকে পারিবারিক বিরোধের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ভিকটিম অভিযোগ করেন যে, তাকে দিয়ে মাদক ব্যবসার কাজ করানো হতো। জয়নাল মেম্বারের দাবি, সর্বশেষ তিনি নুর উদ্দীনকে মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থাকতে কড়া নিষেধ করেছিলেন। তার ধারণা, এ কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী নুর উদ্দীননের সাথে কথা হলে, সে তার স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। সে বলেন, “আমাদের মধ্যে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ আছে। আমি সবার সব সম্পত্তি ছেড়ে দিতেও রাজি আছি, কিন্তু আমার স্ত্রীর সম্মান ফিরিয়ে দিতে হবে।”
প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবনের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে নুর উদ্দীন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার মাদক ব্যবসা বা মাদকসেবনের সঙ্গে এই মামলার কী সম্পর্ক?”—এ কথা বলে তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করেন।
মামলায় উল্লেখিত ভিকটিম রেহেনা আক্তারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার বক্তব্যের সঙ্গে বাদী নুর উদ্দীনের বক্তব্যের বেশ কিছু বিষয়ে অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। বিভিন্ন ঘটনা, সময়কাল ও অভিযোগের বিবরণে উভয়ের বক্তব্যে মিল পাওয়া যায়নি। ফলে মামলার অভিযোগ ও ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, আলোচিত এ মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। একইসঙ্গে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে মামলার বাদীর বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয়দের মতে, ব্যক্তি বা পারিবারিক বিরোধের জেরে কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রবণতা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। এজন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়সঙ্গত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।